📌 ৪৫ কোটি টাকার বিনিয়োগে বান্দরবানের ৮৫টি দুর্গম পাড়ায় জিএফএস, রিংওয়েল ও গভীর নলকূপ স্থাপন করে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নারী-শিশুদের পানি সংগ্রহের কষ্ট কমেছে এবং স্থানীয়দের স্বাস্থ্য উন্নতি ঘটেছে
বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় প্রযুক্তির মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ৮৫টি দুর্গম পাড়ায় জিএফএস, রিংওয়েল, গভীর নলকূপ ও রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম স্থাপন করে নারী-শিশুদের পানি সংগ্রহের কষ্ট দূর করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৫ কোটি টাকায় বাস্তবায়িত প্রকল্পে বান্দরবানের ৮৫টি দুর্গম পাড়ায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত
- 📌 ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১২টি জিএফএস মেরামত, ১০টি নতুন জিএফএস, ৫৮৩টি রিংওয়েল, ১৪০টি রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম ও ৮৫টি গভীর নলকূপ স্থাপন
- 📌 ৩০টি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করে স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করা হয়েছে
- 📌 প্রকল্পের মাধ্যমে আগের মতো পাহাড়ি ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহের কষ্ট দূর হয়েছে
- 📌 পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে কাজ সম্পন্ন করেছে
📰 বিস্তারিত
বান্দরবান জেলার ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভাসহ ৮৫টি দুর্গম পাড়ার বাসিন্দারা এখন পাচ্ছেন ঘরের পাশেই বিশুদ্ধ পানি। এই প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত জিএফএস, রিংওয়েল, গভীর নলকূপ ও রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেমের মাধ্যমে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বান্দরবান জেলায় ১২টি জিএফএস মেরামত ও ১০টি নতুন জিএফএস নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও ৫৮৩টি রিংওয়েল, ১৪০টি রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম, ৮৫টি গভীর নলকূপ ও ৮৫টি প্রোডাকশন টিউবওয়েল স্থাপন করে পাড়াভিত্তিক পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নতির লক্ষ্যে ৩০টি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে আগের মতো পাহাড়ি ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহের জন্য নারী-শিশুদের দীর্ঘ পথ চলার কষ্ট দূর হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এখন ঘরের পাশেই বিশুদ্ধ পানি পাওয়ার সুবিধা পাচ্ছেন।
বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেছেন, ‘পাহাড়ি এলাকায় নিরাপদ পানি নিশ্চিতে ভিন্ন ভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে জেলায় দুর্গম এলাকায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে।’
"পানি সংগ্রহের জন্য অনেক দূরে যেতে হতো। এখন সেই কষ্ট অনেকটাই কমে গেছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের দেওয়া গভীর নলকূপের মাধ্যমে এখন খুব সহজেই ঘরের নিত্যদিনের ব্যবহারের পানি পাচ্ছি।"
— জসিম উদ্দিন ও কনক চাকমা, বান্দরবান মেঘলা এলাকার বাসিন্দা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বান্দরবান জেলা (৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনুপম দে (বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী), জসিম উদ্দিন ও কনক চাকমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ কোটি টাকা (বিনিয়োগ), ৮৫টি দুর্গম পাড়া, ১২টি জিএফএস মেরামত, ১০টি নতুন জিএফএস, ৫৮৩টি রিংওয়েল, ১৪০টি রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম, ৩০টি টয়লেট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!