📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পূর্ব আফ্রিকার রিফটে নতুন মহাসাগর সৃষ্টির প্রক্রিয়া: বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন মহাদেশের ভাঙন

পূর্ব আফ্রিকার রিফটে নতুন মহাসাগর সৃষ্টির প্রক্রিয়া: বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন মহাদেশের ভাঙন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিজ্ঞানীরা পূর্ব আফ্রিকার রিফট অঞ্চলে নতুন মহাসাগর সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছেন। ভূত্বকের পাতলা হওয়ায় মহাদেশটি ভেঙে নতুন মহাসাগর গঠিত হতে পারে, যা আগামী কয়েক মিলিয়ন বছরে ঘটতে পারে

পূর্ব আফ্রিকার রিফট অঞ্চলে একটি বিপ্লবী ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে যা আগামী কয়েক মিলিয়ন বছরে নতুন মহাসাগর সৃষ্টির দিকে পরিচালিত করতে পারে। বিজ্ঞানীরা এই আবিষ্কারটি ‘নেকিং’ পর্যায়ে পৌঁছানোর প্রমাণ হিসেবে দেখেছেন, যেখানে ভূত্বক এতটাই পাতলা হয়ে যায় যে মহাদেশীয় ভাঙন অনিবার্য হয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ভূবিজ্ঞানী ক্রিশ্চিয়ান রোয়ান এই আবিষ্কারের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বলেছেন, পূর্ব আফ্রিকায় রিফটিং প্রক্রিয়া আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পূর্ব আফ্রিকার রিফট অঞ্চলে ভূত্বকের পুরুত্ব মাত্র ১৩ কিলোমিটার — যা ‘নেকিং’ পর্যায়ে পৌঁছানোর সাক্ষ্য বহন করে, যেখানে মহাদেশীয় ভাঙন ঘটতে পারে
  • 📌 বিজ্ঞানীরা ‘ওশানাইজেশন’ পর্যায়ে প্রবেশের সম্ভাবনা দেখিয়েছেন, যেখানে ভূগর্ভ থেকে ম্যাগমা বেরিয়ে আসবে এবং নতুন মহাসাগর গঠিত হবে
  • 📌 পূর্ব আফ্রিকার তুরকানা রিফট জোনে প্রাচীন মানব জীবাশ্মের উপস্থিতি থাকলেও, ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া জীবাশ্ম সংরক্ষণে ভূমিকা পালন করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে
  • 📌 ২০০ মিলিয়নেরও বেশি বছর আগে পৃথিবীর সব মহাদেশ একত্রে ছিল, কিন্তু ভবিষ্যতে আবারও একত্রিত হতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন
  • 📌 আফ্রিকান প্লেট দুটি ভাগে বিভক্ত — পশ্চিমে নুবিয়ান প্লেট এবং পূর্বে সোমালি প্লেট, যার মধ্যে পূর্ব আফ্রিকার উপকূল ও মাদাগাস্কার অন্তর্ভুক্ত

📰 বিস্তারিত

বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল নেচার কমিউনিকেশনে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, পূর্ব আফ্রিকার রিফট অঞ্চলে ভূত্বকের পাতলা হওয়ার হার অত্যন্ত দ্রুত। এই অঞ্চলের ভূত্বকের পুরুত্ব মাত্র ১৩ কিলোমিটার, যা সাধারণত ‘নেকিং’ পর্যায়ে পৌঁছানোর সাক্ষ্য বহন করে। এই পর্যায়ে পৌঁছানোর পর মহাদেশীয় ভূত্বক ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় অনিবার্য হয়ে পড়ে। ক্রিশ্চিয়ান রোয়ান বলেছেন, ‘ভূত্বক যত পাতলা হয়, এটি তত দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে রিফটিং প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।’

গবেষণায় দেখা গেছে, পূর্ব আফ্রিকার তুরকানা রিফট জোনে প্রাচীন মানব জীবাশ্মের উপস্থিতি থাকলেও, এই অঞ্চলটি মানব বিবর্তনের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিল কিনা তা নিশ্চিত নয়। বরং, ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়াগুলো জীবাশ্ম সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা এই অঞ্চলে আগে সংগ্রহ করা ভূকম্পন তথ্য বিশ্লেষণ করে ভূত্বকের পাতলা হওয়ার প্রমাণ পেয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে আরও কয়েক মিলিয়ন বছর লাগবে, কিন্তু ভূতাত্ত্বিক সময়ের হিসাবে এটি খুবই অল্প সময়। এই প্রক্রিয়ায় ভূত্বক এতটাই টান পড়ে পাতলা হয়ে যাবে যে, ভূগর্ভ থেকে ম্যাগমা ওপরে উঠে অগ্ন্যুৎপাতের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে। পরে সেই ম্যাগমা জমে ঠান্ডা হয়ে একটি অববাহিকা তৈরি করবে, যা ধীরে ধীরে নতুন সমুদ্রতল বা সিফ্লোরে পরিণত হবে। এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই আফার ডিপ্রেশন অঞ্চলে শুরু হয়েছে, যা লোহিত সাগরের কাছাকাছি অবস্থিত।

"আমরা দেখেছি, এই অঞ্চলে রিফটিং প্রক্রিয়া যতটা এগিয়েছে এবং ভূত্বক যতটা পাতলা হয়েছে, আগে কেউ তা বুঝতে পারেনি। পূর্ব আফ্রিকায় আগে যা ধারণা করা হয়েছিল তার চেয়েও বেশি এগিয়ে গেছে রিফটিং প্রক্রিয়ায়।" — **ক্রিশ্চিয়ান রোয়ান**, কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ভূবিজ্ঞানী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পূর্ব আফ্রিকার তুরকানা রিফট জোন (কেনিয়া ও ইথিওপিয়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিশ্চিয়ান রোয়ান (কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ভূবিজ্ঞানী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কিলোমিটার (ভূত্বকের পুরুত্ব), ২০০ মিলিয়ন বছর (পূর্ব মহাদেশের একত্রীকরণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖