📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পরকালে অবলা প্রাণীদের কি থাকবে প্রতিদান? ইসলামের ন্যায়বিচার কী বলে?

পরকালে অবলা প্রাণীদের কি থাকবে প্রতিদান? ইসলামের ন্যায়বিচার কী বলে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামের ন্যায়বিচারক আল্লাহর নজরে অবলা প্রাণীদের যন্ত্রণা ও প্রতিদানের বিষয়টি। কোরআন ও হাদিসে প্রাণীদের পুনরুত্থান ও পারস্পরিক প্রতিশোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাদের আত্মিক প্রতিদান নিয়ে সুন্নি ও মুতাজিলা পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে

পরকালে অবলা প্রাণীদের কি থাকবে প্রতিদান? মানুষের নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে যন্ত্রণা ভোগকারী প্রাণীদের কষ্টের প্রতিদান নিয়ে ইসলামের ন্যায়বিচারক আল্লাহর নজরে এই প্রশ্ন উঠে। কোরআন ও হাদিসে প্রাণীদের পুনরুত্থান ও তাদের পারস্পরিক প্রতিশোধের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাদের আত্মিক প্রতিদান নিয়ে সুন্নি ও মুতাজিলা পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কোরআনে বলা হয়েছে: “ভূমণ্ডলে বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই এবং দুই ডানা দিয়ে আকাশে ওড়ে এমন কোনো পাখি নেই, যারা তোমাদের মতোই এক একটি সম্প্রদায় বা জাতি নয়। আমি কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দিইনি; অতঃপর তাদের সবাইকে তাদের আল্লাহর সমীপে একত্র করা হবে।” (সুরা আনআম, আয়াত: ৩৮)
  • 📌 কেয়ামতের দিন পশুপাখিদের পারস্পরিক প্রতিবিধান হবে। নবীজি (সা.) বলেছেন: “কেয়ামতের দিন তোমরা অবশ্যই হকদারদের পাওনা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হবে। এমনকি শিংহীন ভেড়ার পক্ষ থেকেও শিংওয়ালা ভেড়ার কাছ থেকে প্রতিশোধ নিশ্চিত করা হবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৮২)
  • 📌 পুনরুত্থানের পর প্রাণীদের মাটিতে পরিণত করা হবে। কাফেররা দেখে আফসোস করবে: “হায়, আমি যদি আজ মাটি হয়ে যেতাম!” (সুরা নাবা, আয়াত: ৪০)
  • 📌 সুন্নি পণ্ডিতদের মত: পশুপাখির কোনো স্থায়ী বেহেশত বা দোজখ নেই। তাদের পুনরুত্থান শুধু আল্লাহর ইনসাফ প্রদর্শনের জন্য।
  • 📌 মুতাজিলা পণ্ডিতদের মত: অবলা প্রাণীদেরও আত্মিক সত্তা ও ব্যথা অনুভবের ক্ষমতা থাকায় তাদের জন্য প্রতিদান থাকা আবশ্যক।

📰 বিস্তারিত

মহান আল্লাহ ‘আল-আদল’ বা পরম ন্যায়বিচারক হিসেবে পরিচিত। তাঁর রাজত্বে কোনো অবিচার উপেক্ষিত থাকে না। কোরআনে বলা হয়েছে যে, সৃষ্টির প্রতিটি স্পন্দন তাঁর কাছে রেকর্ড করা থাকে। তাই অবলা প্রাণীদের দীর্ঘশ্বাসও বৃথা যায় না। প্রাণীদের পুনরুত্থান নিয়ে আলোচনা করা হয়। কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে, “এবং যখন বন্য পশুপাখিদেরকে একত্র করা হবে।” (সুরা তাকবির, আয়াত: ৫)।

নবীজি (সা.) এক হাদিসে স্পষ্ট করেছেন যে, কেয়ামতের দিন মানুষ অবশ্যই হকদারদের পাওনা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হবে। এমনকি শিংহীন ভেড়ার পক্ষ থেকেও শিংওয়ালা ভেড়ার কাছ থেকে প্রতিশোধ নিশ্চিত করা হবে। এই প্রতিবিধান কার্যকর করা হবে আল্লাহর পরম ন্যায়বিচার প্রদর্শনের জন্য। যাতে সমগ্র সৃষ্টি দেখতে পারে যে, দুর্বলকে আঘাত করে পরাক্রমশালী কখনোই পার পেতে পারে না।

প্রাণীদের পারস্পরিক বিরোধ নিষ্পত্তির পর তাদের মাটিতে পরিণত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। এই দৃশ্য দেখে কাফেররা আফসোস করে বলবে, ‘হায়, আমি যদি আজ মাটি হয়ে যেতাম!’ (সুরা নাবা, আয়াত: ৪০)।

"ভূমণ্ডলে বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই এবং দুই ডানা দিয়ে আকাশে ওড়ে এমন কোনো পাখি নেই, যারা তোমাদের মতোই এক একটি সম্প্রদায় বা জাতি নয়। আমি কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দিইনি; অতঃপর তাদের সবাইকে তাদের আল্লাহর সমীপে একত্র করা হবে।"
"কেয়ামতের দিন তোমরা অবশ্যই হকদারদের পাওনা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হবে। এমনকি (দুনিয়ায় কোনো শিংওয়ালা ভেড়া যদি কোনো শিংবিহীন ভেড়াকে গুঁতো মেরে থাকে, তবে) শিংহীন ভেড়ার পক্ষ থেকেও শিংওয়ালা ভেড়ার কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করে সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামি বিশ্বাসের মূল ভিত্তি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল্লাহ, নবীজি (সা.), সুন্নি ও মুতাজিলা পণ্ডিতগণ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: আয়াত ৩৮ (সুরা আনআম), আয়াত ৫ (সুরা তাকবির), আয়াত ৪০ (সুরা নাবা), হাদিস ২৫৮২ (সহিহ মুসলিম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖