📌 মঙ্গলবার ইরাকের সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। দুই দশক যুদ্ধের সমাপ্তিকে ইরান উদযাপন করলেও নিরাপত্তা শূন্যতার আশঙ্কা জাগ্রত হয়েছে। ইরাকি বাহিনী এককভাবে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
মধ্যপ্রাচ্যের ইরাক থেকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে মার্কিন বাহিনী। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে যে, সেপ্টেম্বর মাসের শেষদিনের আগেই মার্কিন সেনারা দেশ ছেড়ে যাবার কথা থাকলেও একদিন আগেই তারা সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এই দুই দশক যুদ্ধের অবসানকে নিজেদের রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে উদযাপন করছে ইরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্ররা। তবে মার্কিন বাহিনীর প্রস্থানের ফলে ইরাকে বড় ধরনের নিরাপত্তা শূন্যতা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মার্কিন সেনারা একদিন আগেই প্রত্যাহার করে নেয় সকল সৈন্য
- 📌 দুই দশক যুদ্ধের সমাপ্তিকে ইরান ও তার মিত্ররা রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে উদযাপন করছে
- 📌 মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ফলে ইরাকে নিরাপত্তা শূন্যতা সৃষ্টির আশঙ্কা জাগ্রত হয়েছে
- 📌 ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো শক্তিশালী হতে পারে
- 📌 ইরাকের সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ মার্কিন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইরাকি বাহিনী এককভাবে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ
📰 বিস্তারিত
২০০৩ সালে মার্কিন বাহিনী ইরাক আক্রমণ করে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং শিয়া নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এরপর তারা বেশ কয়েক বছর ধরে বিদ্রোহ দমন অভিযান চালায়। প্রথমে সাদ্দাম-সমর্থকদের বিরুদ্ধে এবং পরে আল-কায়েদার বিরুদ্ধে লড়াই করে মার্কিন বাহিনী। এই যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় ইরাকে ব্যাপক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, যার ফলে ইসলামিক স্টেট বা আইএসের উত্থান ঘটে।
২০২৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি হয়েছিল। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক লড়াই জারি রাখার মধ্যেই এই প্রত্যাহারের কাজ সম্পন্ন করেছে। ইরাকের সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের মতে, মার্কিন প্রশিক্ষণ ও অর্থায়নে পরিচালিত ইরাকি বাহিনী এখনো এককভাবে পুরো দেশের সুরক্ষা দিতে প্রস্তুত নয়।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন সেনা চলে যাওয়ায় ইরাকে নিরাপত্তা শূন্যতা সৃষ্টি হতে পারে। যেখানে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং পুনরুত্থানশীল ইসলামিক স্টেট (আইএস) আবারও সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।
"মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ফলে ইরাকে নিরাপত্তা শূন্যতা সৃষ্টি হতে পারে। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং আইএস পুনরুত্থিত হতে পারে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরাক, মধ্যপ্রাচ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জো বাইডেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প, সাদ্দাম হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর, ৩০ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!