📌 পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ী রেজাউল করিম রেজা (৪০) এর মৃত্যুর রহস্য ঘিরে চিরকুটে লেখা ‘আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম’। পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে, পরিবার দাবি করেছে পরিকল্পিত হত্যা। পকেটে পাওয়া চিরকুটে তার আত্মকথন ও অর্থনৈতিক কষ্টের কথা উল্লেখ করা হয়েছে
পঞ্চগড়ে এক ব্যবসায়ী রেজাউল করিম রেজা (৪০) এর মৃত্যুর রহস্য ঘিরে চিরকুটে লেখা ‘আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারলাম না’। পুলিশ আজ বুধবার তার মরদেহ উদ্ধার করেছে ইসলাম ফ্লাওয়ার মিলের পাশের নিচু জমি থেকে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও পেছনের ঘটনাবলী নিয়ে পরিবার ও পুলিশের মধ্যে তদন্ত চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ী রেজাউল করিম রেজা (৪০) এর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে ইসলাম ফ্লাওয়ার মিলের পাশে।
- 📌 তার পকেটে পাওয়া চিরকুটে লেখা ছিল: ‘আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারলাম না। সমাজ বড় কঠিন!’
- 📌 রেজা ঠাকুরগাঁও জেলার ভেলাজান এলাকার বাসিন্দা। পঞ্চগড় পৌরসভার রাজনগর এলাকায় বাড়ি নির্মাণ ও ব্যবসা করতেন।
- 📌 গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টায় বাড়ি থেকে বের হয়ে যান তিনি, পরে আর ফিরেননি।
- 📌 তার স্ত্রী কোহিনুর বেগম জানান, প্রতিদিন ঘুমের ওষুধ খেয়ে বাড়ি আসতেন তিনি।
- 📌 রেজার বাবা মোস্তফা কামাল দাবি করেছেন, ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
- 📌 পঞ্চগড় পুলিশ সুপার আবু সাইম বলেছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে।
- 📌 পকেটে পাওয়া চিরকুটে লেখা ছিল: ‘দয়া করে কেউ আমার দাফনের কাপড় দান করে দিয়েন। আমার কোনো টাকা নেই।’
📰 বিস্তারিত
পঞ্চগড় পৌরসভার রাজনগর এলাকায় বাস করা ব্যবসায়ী রেজাউল করিম রেজা (৪০) এর মৃত্যুর রহস্য নিয়ে পরিবার ও পুলিশের মধ্যে তদন্ত চলছে। পুলিশ আজ বুধবার সকালে ইসলাম ফ্লাওয়ার মিলের পাশের নিচু জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহের পকেটে পাওয়া চিরকুটে তার আত্মকথন ও অর্থনৈতিক কষ্টের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘দয়া করে কেউ আমার দাফনের কাপড় দান করে দিয়েন। আমার কোনো টাকা নেই। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারলাম না। সমাজ বড় কঠিন! বাচ্চাদের এতিমখানায় ভর্তি করে দিও।’
রেজা ঠাকুরগাঁও জেলার ভেলাজান এলাকার বাসিন্দা। তিনি পঞ্চগড় পৌরসভার রাজনগর এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করে স্ত্রী ও তিন ছেলেকে নিয়ে থাকতেন। পাশাপাশি পঞ্চগড় সদর থানার সামনে কম্পিউটার কম্পোজের ব্যবসা করতেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে রেজা বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। আজ সকালে ওই এলাকায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ও সিআইডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ক্রাইম সিনের আলামত সংগ্রহ করা হয়।
রেজার স্ত্রী কোহিনুর বেগম জানান, প্রতিদিন ঘুমের ওষুধ খেয়ে বাড়ি আসতেন রেজা। গতকালও ওষুধ খেয়ে এসে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে শুরু করলে তাঁর সঙ্গে ঝগড়া হয়। রাত ১২টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান তিনি। পরে সকালে মরদেহ পাওয়ার খবর পেয়ে গিয়ে শনাক্ত করেন। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা কোহিনুর জানেন না। তবে রেজার বাবা মোস্তফা কামাল দাবি করেন, তাঁর ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবি করেছেন।
"দয়া করে কেউ আমার দাফনের কাপড় দান করে দিয়েন। আমার কোনো টাকা নেই। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারলাম না। সমাজ বড় কঠিন!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পঞ্চগড়, ইসলাম ফ্লাওয়ার মিলের পাশের নিচু জমি, রাজনগর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেজাউল করিম রেজা (৪০), কোহিনুর বেগম, মোস্তফা কামাল, পুলিশ সুপার আবু সাইম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বছর বয়স, রাত ১২টা, ৩৫ সদর রোড (পটুয়াখালী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!