📌 ইসরায়েলের কর্তৃক পরিচালিত নতুন পাঠ্যপুস্তক চালু হয়েছে পূর্ব জেরুজালেমের ৪৫ হাজার প্যালেস্টাইনী শিক্ষার্থীর জন্য। প্যালেস্টাইনী শিক্ষকদের অনুমতি বাতিলের কারণে ক্রাইস্টিয়ান স্কুলগুলোও হরতালে যেতে বাধ্য হয়েছে। ইসরায়েল দাবি করে প্যালেস্টাইনী পাঠ্যপুস্তক ‘হ্যাট’ শেখায়, কিন্তু গবেষণা দেখায় পাঠ্যপুস্তকগুলো জাতীয় পরিচয়কে লক্ষ্য করে পরিবর্তন করা হচ্ছে
পূর্ব জেরুজালেমে প্যালেস্টাইনী শিক্ষার্থীদের জন্য ইসরায়েল কর্তৃক পরিচালিত নতুন পাঠ্যপুস্তক চালু হয়েছে। এই পাঠ্যপুস্তকগুলোতে প্যালেস্টাইনী জাতীয় প্রতীক, ইতিহাস ও অধিকার সম্পর্কিত বিষয়গুলো সম্পূর্ণভাবে অপসারিত করা হয়েছে। ৪৫,০০০ প্যালেস্টাইনী শিক্ষার্থী এখন ইসরায়েল কর্তৃক নির্ধারিত পাঠ্যপুস্তক ব্যবহার করছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। অন্যদিকে, পশ্চিম তীরের ক্রাইস্টিয়ান স্কুলগুলোতে শিক্ষকদের জেরুজালেম প্রবেশের অনুমতি বাতিলের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৪৫,০০০ প্যালেস্টাইনী শিক্ষার্থী** ইসরায়েল কর্তৃক পরিচালিত নতুন পাঠ্যপুস্তক ব্যবহার করছে পূর্ব জেরুজালেমে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
- 📌 **ক্রাইস্টিয়ান স্কুলগুলোতে শিক্ষকদের অনুমতি বাতিল** হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।
- 📌 ইসরায়েল দাবি করে প্যালেস্টাইনী পাঠ্যপুস্তকগুলো ‘হ্যাট’ শেখায়, কিন্তু গবেষণা দেখায় পাঠ্যপুস্তকগুলোতে **প্যালেস্টাইনী জাতীয় পরিচয়, অধিকার ও ইতিহাসের বিষয়গুলো মুছে ফেলা** হয়েছে।
- 📌 **জিনেভা কনভেনশনের নিয়ম ভঙ্গ** করে ইসরায়েল প্যালেস্টাইনী শিক্ষা ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করছে, যা আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী আইনের বিরুদ্ধে।
- 📌 **পশ্চিম তীর ও গাজা স্ট্রিপেও** ইসরায়েলের পাঠ্যপুস্তক হস্তক্ষেপ চলছে, যেখানে পশ্চিমা দাতব্য সংস্থাগুলো ইসরায়েল অনুমোদিত পাঠ্যপুস্তক চালু করেছে।
📰 বিস্তারিত
পূর্ব জেরুজালেমে প্যালেস্টাইনী শিক্ষার্থীদের জন্য ইসরায়েল কর্তৃক পরিচালিত নতুন পাঠ্যপুস্তক চালু হওয়ার সাথে সাথে প্যালেস্টাইনী শিক্ষা ব্যবস্থায় ইসরায়েলের হস্তক্ষেপ আরও জোরদার হয়েছে। এই পাঠ্যপুস্তকগুলোতে প্যালেস্টাইনী জাতীয় প্রতীক, জাতীয় গান, অধিকার, শরণার্থী বিষয়, ফিরে আসার অধিকার এবং অধিকারের বিষয়গুলো সম্পূর্ণভাবে অপসারিত করা হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, প্যালেস্টাইনী পাঠ্যপুস্তকগুলো ‘হ্যাট’ শেখায়, কিন্তু গবেষণা দেখায় যে পাঠ্যপুস্তকগুলোতে **প্যালেস্টাইনী জাতীয় পরিচয়কে লক্ষ্য করে পরিবর্তন করা হয়েছে**।
ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের পিছনে লুকিয়ে আছে প্যালেস্টাইনী জাতীয় পরিচয়কে ধ্বংস করার লক্ষ্য। ইসরায়েলের দাবি, প্যালেস্টাইনী পাঠ্যপুস্তকগুলোতে ‘হ্যাট’ শেখানো হয়, কিন্তু গবেষণা দেখায় যে পাঠ্যপুস্তকগুলোতে **প্যালেস্টাইনী জাতীয় পরিচয়, অধিকার ও ইতিহাসের বিষয়গুলো মুছে ফেলা হয়েছে**। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ফলে প্যালেস্টাইনী শিক্ষার্থীরা তাদের জাতীয় পরিচয় সম্পর্কে জানতে পারছে না।
ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী আইনেও সন্দেহের চিহ্ন রয়েছে। জিনেভা কনভেনশনের নিয়ম অনুযায়ী, অধিকৃত অঞ্চলে শিক্ষা ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করা নিষিদ্ধ। কিন্তু ইসরায়েল এই নিয়ম ভঙ্গ করে প্যালেস্টাইনী শিক্ষা ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করছে।
পশ্চিম তীর ও গাজা স্ট্রিপেও ইসরায়েলের পাঠ্যপুস্তক হস্তক্ষেপ চলছে। গাজার শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ার পর পশ্চিমা দাতব্য সংস্থাগুলো ইসরায়েল অনুমোদিত পাঠ্যপুস্তক চালু করেছে। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ফলে প্যালেস্টাইনী শিক্ষার্থীরা তাদের জাতীয় পরিচয় সম্পর্কে জানতে পারছে না।
"প্যালেস্টাইনী পাঠ্যপুস্তকগুলো ‘হ্যাট’ শেখায়"
ইসরায়েলের এই দাবি গবেষণায় ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। একটি গবেষণা দেখায় যে প্যালেস্টাইনী পাঠ্যপুস্তকগুলোতে ‘হ্যাট’ শেখানো হয় না, বরং প্যালেস্টাইনী জাতীয় পরিচয়কে লক্ষ্য করে পরিবর্তন করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে প্যালেস্টাইনী পাঠ্যপুস্তকগুলোতে **প্যালেস্টাইনী জাতীয় প্রতীক, অধিকার, ইতিহাস ও শরণার্থী বিষয়গুলো মুছে ফেলা হয়েছে**। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ফলে প্যালেস্টাইনী শিক্ষার্থীরা তাদের জাতীয় পরিচয় সম্পর্কে জানতে পারছে না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর, গাজা স্ট্রিপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ, প্যালেস্টাইনী শিক্ষক ও শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫,০০০ প্যালেস্টাইনী শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!