📌 গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা ১৬ বছর ধরে বিলম্বিত ৫% শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলের পাওনা নিষ্পত্তির দাবিতে রাজধানীর গ্রামীণ টেলিকম কার্যালয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। তারা ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের উদ্যোগ চেয়েছেন।
গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা ১৬ বছর ধরে বিলম্বিত ৫ শতাংশ শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলের পাওনা নিষ্পত্তির দাবিতে আজ বুধবার রাজধানীর গ্রামীণ টেলিকম কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। তারা প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা ও দায়িত্বে থাকা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গ্রামীণফোনের ২০১০-২০১২ সালের ৫ শতাংশ শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলের পাওনা ১৬ বছর ধরে বিলম্বিত
- 📌 বিক্ষোভকারীরা ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের উদ্যোগ চেয়েছেন পাওনা নিষ্পত্তির জন্য
- 📌 গ্রামীণ টেলিকমের ৩৪.২০ শতাংশ মালিকানা থাকা সত্ত্বেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি
- 📌 ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে চলমান আন্দোলনে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে
- 📌 সাবেক কর্মীরা ড. ইউনূসের 'শূন্য বেকারত্ব' দর্শনের বাস্তবায়ন প্রশ্ন তুলেছেন
📰 বিস্তারিত
গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা আজ বুধবার রাজধানীর গ্রামীণ টেলিকম কার্যালয়ের সামনে ‘গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। তারা প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা ও দায়িত্বে থাকা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, তাদের পাওনা-সংক্রান্ত বিরোধ প্রায় ১৬ বছর ধরে অনিষ্পন্ন রয়েছে।
২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে গ্রামীণফোনের ৫ শতাংশ শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলের বিলম্বিত পাওনা নিষ্পত্তির দাবিতে বিক্ষোভকারীরা গ্রামীণফোন, গ্রামীণ টেলিকম, ড. ইউনূস এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নীরবতা পরিহার করে কার্যকর সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা জানান, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে অব্যাহত থাকবে।
গ্রামীণ টেলিকমের সামনে অবস্থান নেওয়ার কারণ হিসেবে সাবেক কর্মীরা বলেছেন, গ্রামীণফোনের ৩৪.২০ শতাংশ শেয়ারের মালিক গ্রামীণ টেলিকম। অন্যদিকে টেলিনর মোবাইল কমিউনিকেশনস এএসের মালিকানা ৫৫.৮০ শতাংশ। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, গ্রামীণফোনের ৩৪.২০ শতাংশ মালিকানা থাকা সত্ত্বেও ১৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা পাওনা নিষ্পত্তিতে গ্রামীণ টেলিকম কী উদ্যোগ নেবে?
সাবেক কর্মী শাকিলা মালেক বলেছেন, “১৬ বছর ধরে আমাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ড. ইউনূসের কাছে আমাদের বিনীত প্রশ্ন, আমাদের পাওনা নিষ্পত্তিতে তার ভূমিকা কোথায়?” তিনি আরও বলেছেন, ড. ইউনূসের প্রকাশ্য সামাজিক কল্যাণের দর্শনের আলোকে পাওনা নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাবেক কর্মী মুহাম্মদ খালিদ হাসান বলেছেন, “সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রায় ৩ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। এই সংখ্যা শুধু পরিসংখ্যান নয়; এর সঙ্গে হাজারো পরিবারের জীবিকা জড়িত। তাই ‘শূন্য বেকারত্ব’ দর্শনের বাস্তব প্রতিফলন কোথায়?”
আন্দোলনকারীরা বলেছেন, “১৬ বছর অপেক্ষা যথেষ্ট। আমরা সংঘাত চাই না; আমরা চাই সংলাপ, জবাবদিহি এবং আমাদের পাওনার একটি স্বচ্ছ, মর্যাদাপূর্ণ ও আইনসম্মত সমাধান।”
"আমরা সংঘাত চাই না; আমরা চাই সংলাপ, জবাবদিহি এবং আমাদের ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনার একটি স্বচ্ছ, মর্যাদাপূর্ণ ও আইনসম্মত সমাধান"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর গ্রামীণ টেলিকম কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মুহাম্মদ ইউনূস, শাকিলা মালেক, মুহাম্মদ খালিদ হাসান, আবু সাদাত মো. শোয়েব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ শতাংশ (পাওনা), ১৬ বছর (বিলম্ব), ৩৪.২০ শতাংশ (গ্রামীণ টেলিকমের মালিকানা), ৫৫.৮০ শতাংশ (টেলিনর মোবাইল কমিউনিকেশনস এএসের মালিকানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!