📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মার্কিন অর্থমন্ত্রী: ইরানের অর্থনীতি ২০২৭ মার্চে ২৫% সংকুচিত, শীতের জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা

মার্কিন অর্থমন্ত্রী: ইরানের অর্থনীতি ২০২৭ মার্চে ২৫% সংকুচিত, শীতের জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট পূর্বাভাস দিয়েছেন যে, ইরানের অর্থনীতি ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে ২৫% সংকুচিত হতে পারে। তিনি শীতের জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা দিয়েছেন এবং সরকারকে জনগণের বেতন পরিশোধে ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের অর্থনীতির ভবিষ্যত সম্পর্কে তীব্র সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে ইরানের অর্থনীতি ২৫ শতাংশেরও বেশি সংকুচিত হতে পারে। মার্কিন সরকারের ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ প্রকল্পের আওতায় ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও তীব্র করার পরিকল্পনা রয়েছে। বেসেন্টের মতে, এই চাপের ফলে ইরানের অর্থনৈতিক সংকোচন সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরের সংকোচনকে ছাড়িয়ে যাবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের পূর্বাভাস: ইরানের অর্থনীতি ২০২৬ সালের মার্চ থেকে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত ২৫ শতাংশের বেশি সংকুচিত হবে
  • 📌 ইরানের তেল উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং খার্গ দ্বীপে তেল বোঝাই বন্ধ থাকায় জ্বালানি সংকটের পূর্বাভাস
  • 📌 মার্কিন সরকারের ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ প্রকল্পের আওতায় ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও তীব্র করা হবে
  • 📌 বেসেন্টের পরামর্শ: ইরানি জনগণকে জ্বালানি মজুত করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে, কারণ শীতকালে জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে
  • 📌 ইরানের অর্থনৈতিক সংকটের কারণে সরকারি কর্মীদের বেতন পরিশোধে ব্যর্থতা এবং সামাজিক সুবিধা কমানোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হচ্ছে
  • 📌 মার্কিন অর্থমন্ত্রী দাবি করেছেন, ইরানের অর্থনৈতিক চাপের ফলে দেশের রাজনীতিবিদ এবং আইআরজিসির মধ্যে মতবিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে

📰 বিস্তারিত

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তিনি ইরান ইন্টারন্যাশনালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ প্রকল্পের আওতায় ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও তীব্র করা হবে। এই চাপের ফলে ইরানের অর্থনীতি এমনভাবে সংকুচিত হবে, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরের অর্থনৈতিক সংকোচনকে ছাড়িয়ে যাবে।’

বেসেন্ট ইরানি জনগণের কাছে জ্বালানি সংকটের বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার পরামর্শ হবে, আপনারা জ্বালানি মজুত করুন। পেট্রল ও ঘর গরম রাখার জ্বালানি সংকট দেখা দিতে যাচ্ছে। এখনই গাড়ির ট্যাংক পূর্ণ করে রাখুন এবং ঘর গরম রাখার জন্য জ্বালানি মজুত করুন।’

ইরানের অর্থনৈতিক সংকটের কারণে সরকারি কর্মীদের বেতন পরিশোধে ব্যর্থতা এবং সামাজিক সুবিধা কমানোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হচ্ছে। বেসেন্টের মতে, ইরানের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় সরকার অর্থ ছাপিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেছেন, ‘ইরানের সাধারণ জনগণের পরিবর্তে দেশটির নেতৃত্বকে চাপে ফেলার উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।’

ইরানের অর্থনৈতিক সংকটের কারণ হিসেবে মার্কিন অর্থমন্ত্রী ইরানের তেল রফতানি কমে যাওয়া এবং খার্গ দ্বীপে তেল বোঝাই বন্ধ থাকাকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আট সপ্তাহ ধরে এই অভিযান চালাচ্ছি। আগামী আট সপ্তাহে পরিস্থিতি আরও তীব্র হবে।’

"আমি পূর্বাভাস দিচ্ছি, ২০২৬ সালের মার্চ থেকে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত ইরানের অর্থনীতি ২৫ শতাংশের বেশি সংকুচিত হবে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর দেশটির অর্থনীতি যতটা সংকুচিত হয়েছিল, এটি তার চেয়েও বেশি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (মার্কিন অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ শতাংশ (ইরানের অর্থনৈতিক সংকুচন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖