📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাশিয়া আফ্রিকার উপর নির্ভরশীলতা বিক্রি করছে ‘সহযোগিতা’র ছদ্মবেশে

রাশিয়া আফ্রিকার উপর নির্ভরশীলতা বিক্রি করছে ‘সহযোগিতা’র ছদ্মবেশে

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাশিয়া আফ্রিকার সাথে ‘সহযোগিতা’র ভান করে অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাব বিস্তার করছে। মস্কোতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় রাশিয়া-আফ্রিকা শীর্ষ সম্মেলনে সাক্ষাত করবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও বুরুন্ডির রাষ্ট্রপতি এভারিস্ট নদায়িশিমিয়ে। তবে বাস্তবে রাশিয়ার লাভ বেশি, আফ্রিকার সাধারণ মানুষের লাভ কম

রাশিয়া আফ্রিকার সাথে ‘সহযোগিতা’র ছদ্মবেশে অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাব বিস্তার করছে। এই সপ্তাহে মস্কোতে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় রাশিয়া-আফ্রিকা শীর্ষ সম্মেলন, যেখানে আফ্রিকার নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আফ্রিকান মহাদেশে অর্থনৈতিক, সামরিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে এই সম্মেলন আয়োজন করছেন। তবে বাস্তবে রাশিয়ার লাভ বেশি, আফ্রিকার সাধারণ মানুষের লাভ কম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৮ অক্টোবর মস্কোতে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় রাশিয়া-আফ্রিকা শীর্ষ সম্মেলন, যেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বুরুন্ডির রাষ্ট্রপতি এভারিস্ট নদায়িশিমিয়ে (আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান সভাপতি) সহযোগে প্লেনারি সেশনের সভাপতিত্ব করবেন।
  • 📌 সম্মেলনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে অর্থনৈতিক ও মানবিক সহযোগিতা ফোরাম, যেখানে বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা, শক্তি, প্রযুক্তি ও পেমেন্ট সিস্টেম নিয়ে আলোচনা হবে।
  • 📌 রাশিয়া-আফ্রিকা বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু ২০২৫ সালে বাণিজ্য মাত্র ২৭.১ বিলিয়ন ডলার হয়। প্রথম আট মাসে রাশিয়া থেকে আফ্রিকায় ১৪ বিলিয়ন ডলার রফতানি হলেও আফ্রিকা থেকে মাত্র ৩.২ বিলিয়ন ডলার আমদানি হয়েছে।
  • 📌 ২০১৯ সালের সোচি সম্মেলনে ৯২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, ২০২৩ সালের সেন্ট পিটার্সবার্গ সম্মেলনে আরো ১৬১টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে বাস্তবে অনেক চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি।
  • 📌 রাশিয়ার কৃষি রফতানি আফ্রিকার বাণিজ্য ঘাটতির প্রধান কারণ। প্রথমার্ধে ১০.২ মিলিয়ন টন গম রাশিয়া আফ্রিকায় রফতানি করেছে, যার মধ্যে মিশর ছিল প্রধান গ্রাহক।
  • 📌 মিশরে রাশিয়ার রোসাতম কর্তৃক নির্মিত এল দাবা নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টে ১৮,০০০ মিশরীয় কর্মী নিয়োজিত, তবে প্রকল্পটি ২৫ বিলিয়ন ডলারের রাশিয়ান ঋণে নির্মিত।
  • 📌 কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে রাশিয়া-কঙ্গো যৌথভাবে নির্মিত পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন প্রকল্পে রাশিয়ার অংশ ৯০%, কঙ্গোর সরকারের অংশ মাত্র ১০%। রাশিয়ার ডেপুটি প্রিমিয়ার আলেক্সান্ডার নভাক বলেছেন, প্রকল্পের ডিজাইন কাজ এই বছর শুরু হবে এবং ২০২৯ সালে কার্যক্রম শুরু হবে।
  • 📌 রাশিয়ার সামরিক প্রভাবও বাড়ছে। সুইডেনের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ৩৯টি আফ্রিকান দেশের সাথে রাশিয়ার ৫৭টি সামরিক ও নিরাপত্তা চুক্তি চিহ্নিত করেছে।

📰 বিস্তারিত

রাশিয়া আফ্রিকার সাথে ‘সহযোগিতা’র ছদ্মবেশে অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাব বিস্তার করছে। এই সপ্তাহে মস্কোতে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় রাশিয়া-আফ্রিকা শীর্ষ সম্মেলন, যেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বুরুন্ডির রাষ্ট্রপতি এভারিস্ট নদায়িশিমিয়ে (আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান সভাপতি) সহযোগে প্লেনারি সেশনের সভাপতিত্ব করবেন। সম্মেলনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে অর্থনৈতিক ও মানবিক সহযোগিতা ফোরাম, যেখানে বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা, শক্তি, প্রযুক্তি ও পেমেন্ট সিস্টেম নিয়ে আলোচনা হবে।

রাশিয়া-আফ্রিকা বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু বাস্তবে ২০২৫ সালে বাণিজ্য মাত্র ২৭.১ বিলিয়ন ডলার হয়। প্রথম আট মাসে রাশিয়া থেকে আফ্রিকায় ১৪ বিলিয়ন ডলার রফতানি হলেও আফ্রিকা থেকে মাত্র ৩.২ বিলিয়ন ডলার আমদানি হয়েছে। রাশিয়ার কৃষি রফতানি আফ্রিকার বাণিজ্য ঘাটতির প্রধান কারণ। প্রথমার্ধে ১০.২ মিলিয়ন টন গম রাশিয়া আফ্রিকায় রফতানি করেছে, যার মধ্যে মিশর ছিল প্রধান গ্রাহক। এই রফতানি আফ্রিকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করলেও রাশিয়ার কৃষকদের লাভ বেশি।

রাশিয়ার বিনিয়োগের রেকর্ডও আশাবাদী নয়। ২০১৯ সালের সম্মেলনে রাশিয়ার উরালকেম ও অ্যাঙ্গোলার গ্রুপ ওপাইয়া একটি ১.২ বিলিয়ন ডলারের অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া কমপ্লেক্স নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করে, যা ২০২৩ সালে কার্যক্রম শুরু করবে বলে আশা করা হতো। কিন্তু উরালকেম প্রকল্পটি ত্যাগ করে। অন্যদিকে মিশরে রাশিয়ার রোসাতম কর্তৃক নির্মিত এল দাবা নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টে ১৮,০০০ মিশরীয় কর্মী নিয়োজিত, তবে প্রকল্পটি ২৫ বিলিয়ন ডলারের রাশিয়ান ঋণে নির্মিত।

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে রাশিয়া-কঙ্গো যৌথভাবে নির্মিত পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন প্রকল্পে রাশিয়ার অংশ ৯০%, কঙ্গোর সরকারের অংশ মাত্র ১০%। রাশিয়ার ডেপুটি প্রিমিয়ার আলেক্সান্ডার নভাক বলেছেন, প্রকল্পের ডিজাইন কাজ এই বছর শুরু হবে এবং ২০২৯ সালে কার্যক্রম শুরু হবে। রাশিয়া এই পাইপলাইনকে পশ্চিমা সנקশনের বিরুদ্ধে তাদের পেট্রোলিয়াম রফতানির রক্ষার উপায় হিসেবে দেখছে।

রাশিয়ার সামরিক প্রভাবও বাড়ছে। সুইডেনের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ৩৯টি আফ্রিকান দেশের সাথে রাশিয়ার ৫৭টি সামরিক ও নিরাপত্তা চুক্তি চিহ্নিত করেছে। রাশিয়া আগে ওয়াগনার গ্রুপের মতো ক্রিমিনাল নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করত, কিন্তু বর্তমানে তাদের সামরিক কার্যক্রম রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে। ওয়াগনার গ্রুপ এখনও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে সক্রিয় রয়েছে।

"mutually beneficial cooperation"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মস্কো
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভ্লাদিমির পুতিন, এভারিস্ট নদায়িশিমিয়ে, আলেক্সান্ডার নভাক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯২টি চুক্তি (২০১৯), ১৬১টি চুক্তি (২০২৩), ৪০ বিলিয়ন ডলার (লক্ষ্যমাত্রা), ২৭.১ বিলিয়ন ডলার (২০২৫ বাণিজ্য), ১৪ বিলিয়ন ডলার (রাশিয়া থেকে রফতানি), ৩.২ বিলিয়ন ডলার (আফ্রিকা থেকে আমদানি), ১০.২ মিলিয়ন টন (গম রফতানি), ১৮,০০০ (কর্মী), ২৫ বিলিয়ন ডলার (ঋণ), ৫৭টি সামরিক চুক্তি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖