📌 আমেরিকার সিনেটররা ইসরায়েলের ‘ইস্ট-১’ (ই-১) পশ্চিম তীরের বসতিস্থাপন প্রকল্পের বিরুদ্ধে সাংঘাতিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইসরায়েলের বসতিগুলোকে দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের সাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে বিবেচিত। দাবি করা হচ্ছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের মধ্যবর্তী সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে
আমেরিকার সিনেটররা ইসরায়েলের ‘ইস্ট-১’ (ই-১) পশ্চিম তীরের বসতিস্থাপন প্রকল্পের বিরুদ্ধে সাংঘাতিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইসরায়েলের বসতিগুলোকে দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের সাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে বিবেচিত। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের মধ্যবর্তী সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, যা প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রের জন্য ‘মৃত্যুদণ্ড’ বলে মনে করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সিনেটরদের সাংঘাতিক পদক্ষেপ**: আমেরিকার সিনেটররা ইসরায়েলের ‘ই-১’ বসতিস্থাপন প্রকল্পের বিরুদ্ধে সাংঘাতিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে সাংঘাতিক পদক্ষেপের জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা ইসরায়েলের বসতিগুলোকে পূর্ব জেরুজালেমের সাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা।
- 📌 **বিলের নেতৃত্ব**: ডেলাওয়্যারের ক্রিস কুনস, ম্যাসাচুসেটসের এলিজাবেথ ওয়ারেন, অরেগনের রন ওয়াইডেন এবং অ্যারিজোনার রুবেন গ্যালেগো এই বিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এছাড়াও, ১০ জন ডেমোক্র্যাট এই বিলের সহ-প্রবর্তক হিসেবে যুক্ত হবেন।
- 📌 **প্যালেস্টাইন জনগণের অবস্থা**: ক্রিস কুনস বলেছেন, “প্যালেস্টাইন জনগণ দাঙ্গা ও ভয়াবহ আক্রমণের শিকার হচ্ছে। আমেরিকা তাদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও স্বায়ত্তশাসনের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাতে হবে।”
- 📌 **বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া**: যুক্তরাজ্যের বিদেশমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড এই প্রকল্পকে ‘অনুমোদিত ও ধ্বংসাত্মক’ বলে ঘোষণা করেছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস এই প্রকল্পকে ‘অন্যায় ও অবৈধ পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
- 📌 **রাজনৈতিক প্রভাব**: ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইসরায়েলের বামপন্থী ভোটারদেরকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। ইসরায়েলের ফার-রাইট মন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ এই প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যিনি নিজেও একটি অবৈধ বসতিতে বসবাস করেন।
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের ‘ই-১’ বসতিস্থাপন প্রকল্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার সিনেটরদের সাংঘাতিক পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইসরায়েলের বসতিগুলোকে পূর্ব জেরুজালেমের সাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে বিবেচিত। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের মধ্যবর্তী সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, যা প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রের জন্য ‘মৃত্যুদণ্ড’ বলে মনে করা হয়।
সিনেটর ক্রিস কুনস বলেছেন, “প্যালেস্টাইন জনগণ দাঙ্গা ও ভয়াবহ আক্রমণের শিকার হচ্ছে। আমেরিকা তাদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও স্বায়ত্তশাসনের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাতে হবে। আমাদের এই আচরণকে অস্বীকারযোগ্য এবং তাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে।” এই বিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ক্রিস কুনস, এলিজাবেথ ওয়ারেন, রন ওয়াইডেন এবং রুবেন গ্যালেগো। এছাড়াও, ১০ জন ডেমোক্র্যাট এই বিলের সহ-প্রবর্তক হিসেবে যুক্ত হবেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইসরায়েলের বামপন্থী ভোটারদেরকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। ইসরায়েলের ফার-রাইট মন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ এই প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যিনি নিজেও একটি অবৈধ বসতিতে বসবাস করেন। এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের বিদেশমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেছেন, “এই প্রকল্প একটি ‘অনুমোদিত ও ধ্বংসাত্মক’ পদক্ষেপ।” জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস এই প্রকল্পকে ‘অন্যায় ও অবৈধ পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
"প্যালেস্টাইন জনগণ দাঙ্গা ও ভয়াবহ আক্রমণের শিকার হচ্ছে। আমেরিকা তাদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও স্বায়ত্তশাসনের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (আমেরিকা), পূর্ব জেরুজালেম (পশ্চিম তীর), ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস কুনস, এলিজাবেথ ওয়ারেন, রন ওয়াইডেন, রুবেন গ্যালেগো, বেনজামিন নেটানিয়াহু, বেজালেল স্মট্রিচ, এড মিলিব্যান্ড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন ডেমোক্র্যাট সহ-প্রবর্তক, ২০ জন ডেমোক্র্যাট সাংসদীয় প্রস্তাব, ১০০ সদস্যের সিনেট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!