📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, নর্দমায় ভরা খালে লাল গোলাপের গাছ লাগিয়ে পর্যটন স্পট গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তিনি বলেছেন, প্রথমে খাল ও পার্শ্ববর্তী এলাকা পরিষ্কার করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ সেখানে ঘুরতে পারে
ঢাকার বেগুনবাড়ী খালের ওপর নির্মিত নতুন পদচারী সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নর্দমায় ভরা খালে লাল গোলাপের গাছ লাগিয়ে পর্যটন স্পট গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, প্রথমে খাল ও পার্শ্ববর্তী এলাকা পরিষ্কার করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ সেখানে ঘুরতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘নর্দমার মধ্যে ফুটফুটে লাল গোলাপের গাছ লাগিয়ে কোনো লাভ হবে না’।
- 📌 বেগুনবাড়ী খালের ওপর নির্মিত পদচারী সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
- 📌 ৫৪টি ওয়ার্ডের বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন বলে মনে করেন প্রশাসক।
- 📌 ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪২ মিটার ও প্রস্থ ৩.৮০ মিটার।
- 📌 আগামীতে আরও দুটি সেতু নির্মাণ করছে ডিএনসিসি — একটি ৩৮ মিটার দৈর্ঘ্য (৩৫% কাজ শেষ), অন্যটি ৪৯ মিটার দৈর্ঘ্য (৫০% কাজ শেষ)।
- 📌 ৮৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনটি সেতু নির্মাণের কাজ চলছে।
📰 বিস্তারিত
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর আফতাবনগর এলাকায় আফতাবনগর–বনশ্রীর মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া বেগুনবাড়ী খালের ওপর নির্মিত পদচারী সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আপনাদের দাবি যাতে এই জায়গা পর্যটন হিসেবে করা যায়, এখানে যাতে মানুষ ঘুরতে পারে, এমন পরিবেশ অন্তত সৃষ্টি করা। আমরা ঢাকাবাসীকে ক্লিন ঢাকা এবং গ্রিন ঢাকা উপহার দিতে কাজ করছি। তবে আমরা তখনই গ্রিন ঢাকা করতে পারব, যখন আমরা ক্লিন করে শেষ করতে পারব।’
খাল সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এমনভাবে খালটি সংস্কার করা হবে, যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে সেখানে হাঁটাচলা করতে পারেন এবং কিছুটা সময় কাটাতে পারেন। এ জন্য শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সমাজের আওতাভুক্ত যাঁরা বসবাস করেন, তাঁদেরও সচেতন থাকতে হবে। এ কাজে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’
প্রশাসক বলেন, ‘এত বড় শহর শুধু সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের দিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন। ভবিষ্যতে ওয়ার্ডের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’
১৩ কোটি টাকায় নির্মিত পদচারী সেতুটি ডেমরাগামী রামপুরা-বনশ্রী সড়কের ফরাজী হাসপাতাল অংশে নির্মিত। স্টিলের কাঠামোর ওপর কংক্রিটের স্ল্যাব ও টাইলস বসিয়ে তৈরি সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪২ মিটার এবং প্রস্থ ৩ দশমিক ৮০ মিটার। এত দিন এই এলাকার বাসিন্দাদের খাল পার হতে বাঁশের সাঁকো কিংবা নৌকার ওপর নির্ভর করতে হতো। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতিদিন এই পথে চলাচল করতে হয়। সেতুটি চালু হওয়ায় খাল পারাপারের ভোগান্তি কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
"আপনাদের দাবি যাতে এই জায়গা পর্যটন হিসেবে করা যায়, এখানে যাতে মানুষ ঘুরতে পারে, এমন পরিবেশ অন্তত সৃষ্টি করা। আমরা ঢাকাবাসীকে ক্লিন ঢাকা এবং গ্রিন ঢাকা উপহার দিতে কাজ করছি। তবে আমরা তখনই গ্রিন ঢাকা করতে পারব, যখন আমরা ক্লিন করে শেষ করতে পারব।" — ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আফতাবনগর, রাজধানী ঢাকা, বেগুনবাড়ী খাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম খান (ডিএনসিসি প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪টি ওয়ার্ড, ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা, ৪২ মিটার দৈর্ঘ্য, ৩.৮০ মিটার প্রস্থ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!