📌 স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠকে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং ফ্যাসিস্টদের তৎপরতা সম্পর্কে সজাগ থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি এস এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচিত হয় করোনাকালের দুর্নীতির তদন্ত, আউটসোর্সিং বাতিল এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের বিষয়
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং ফ্যাসিস্টদের তৎপরতার বিষয়ে সজাগ থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কমিটির সভাপতি এস এম রফিকুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্যাসিস্টদের তৎপরতা সম্পর্কে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন কমিটি, হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের দাবি তুলে ধরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে।
- 📌 করোনাকালের দুর্নীতির তদন্ত বিষয়ে কমিটি জিজ্ঞাসা করে, যদি তদন্ত না হয় তাহলে তা দ্রুত খতিয়ে দেখার সুপারিশ করা হয়।
- 📌 গভীর আলোচনা হয় সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিং পদ্ধতি বাদ দেওয়ার বিষয়ে, যেখানে কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য মত দেন।
- 📌 স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের জন্য সুপারিশ করা হয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবার পরিকল্পনা, গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসাসেবা, বাল্যবিবাহ রোধ এবং স্কুল স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা।
- 📌 স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং পরিবার পরিকল্পনার কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটির সভাপতি এস এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচিত হয় স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কমিটির সদস্যরা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে বিশেষ করে করোনাকালের দুর্নীতির তদন্তের অবস্থা জিজ্ঞাসা করেন। তারা জানতে চান যে, এই তদন্ত কি সম্পন্ন হয়েছে এবং যদি না হয় তাহলে তা দ্রুত খতিয়ে দেখার সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিং পদ্ধতি বাদ দেওয়ার বিষয়ে কমিটির সদস্যরা মত দেন। তারা স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের জন্য ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবার পরিকল্পনা, গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসাসেবা, বাল্যবিবাহ রোধ এবং স্কুল স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করার সুপারিশ করেন। এছাড়া স্যাটেলাইট ক্লিনিকের কার্যক্রমও জোরদার করার কথা বলা হয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটিকে জানানো হয় যে, সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। অতীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া পরিবার পরিকল্পনার কার্যক্রমগুলো আবার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার পরিধি বাড়ানোর এবং জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ, ডায়ালাইসিস সেন্টার, ক্যানসার, কিডনি ও হৃদ্রোগ চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
"ফ্যাসিস্টদের তৎপরতার বিষয়ে সজাগ থাকা এবং হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এম রফিকুল ইসলাম (কমিটি সভাপতি), সরদার সাখাওয়াত হোসেন (স্বাস্থ্যমন্ত্রী), এম এ মুহিত (প্রতিমন্ত্রী), মো. আব্দুস সালাম, আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান, ইকরামুল বারী, মো. আনোয়ারুল হক, শামীম আরা বেগম, আব্দুল বারী সরদার, মাহমুদা আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (কমিটির প্রথম বৈঠক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!