📌 আমেরিকার অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের অর্থনৈতিক সঙ্কট বাড়াতে সাতটি কানাডিয়ান মুদ্রাবিনিময় প্রতিষ্ঠানকে সঙ্কটাপন্ন ঘোষণা করেছে। এদের মধ্যে রয়েছে মিলিয়ন এক্সচেঞ্জ, আমিন এক্সচেঞ্জ এবং ক্রিপ্টোয়াল। ইরানের রিয়াল মুদ্রার মূল্য নতুন নিম্নে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে ৯০ শতাংশেরও বেশি ইনফ্লেশন রয়েছে।
আমেরিকার অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের অর্থনৈতিক সঙ্কট আরও গভীর করতে সাতটি কানাডিয়ান মুদ্রাবিনিময় প্রতিষ্ঠানকে সঙ্কটাপন্ন ঘোষণা করেছে। এই সঙ্কশন "অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট" নামে পরিচিত একটি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইরানের অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য দায়ী করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ইরানের অর্থনৈতিক সঙ্কটের জন্য অর্থ লন্ডারিং এবং ইরানের রিয়াল মুদ্রা এবং অন্যান্য মুদ্রা কনভার্ট করে ডিজিটাল সম্পদে রূপান্তর করা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সাতটি কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান** সঙ্কশন: মিলিয়ন এক্সচেঞ্জ, আমিন এক্সচেঞ্জ, ক্রিপ্টোয়াল, ফারাহ এক্সচেঞ্জ, ডারভিশ এক্সচেঞ্জ, টপ পিসি টেকনিশিয়ান ইনক., এবং ডাইভার্স ট্রেড ইনক.
- 📌 **ইরানের অর্থনৈতিক সঙ্কট বাড়ানোর লক্ষ্যে** আমেরিকা এই সঙ্কশন ঘোষণা করেছে। ইরানের রিয়াল মুদ্রার মূল্য নতুন নিম্নে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে ইনফ্লেশন ৯০ শতাংশেরও বেশি।
- 📌 **মিলিয়ন এক্সচেঞ্জ, আমিন এক্সচেঞ্জ এবং ক্রিপ্টোয়াল** কানাডার অন্টারিও এবং ব্রিটিশ কলম্বিয়া রাজ্যে অবস্থিত।
- 📌 **মেক্সসি গ্লোবাল** নামের প্রতিষ্ঠানকে সঙ্কশন করা হয়েছে, যা সিঙ্গাপুরের অধীনে পরিচালিত এবং ইরান, উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়ার সাথে জড়িত ১৬ বিলিয়ন ডলারের অপব্যবহারকারী লেনদেনের সাথে যুক্ত।
- 📌 **কানাডার ফিনট্র্যাক** এবং আমেরিকার ফিনসেনের সহযোগিতায় এই সঙ্কশন ঘোষণা করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
আমেরিকার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের মতে, কানাডা ইরানের সরকার এবং তাদের প্রাক্তন সংগঠনদের জন্য অর্থনৈতিক সঙ্কটের সুযোগ প্রদান করছে না। তিনি বলেছেন, "কানাডা অবৈধ অর্থ লন্ডারিংকারী প্রতিষ্ঠানদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে পারে না, যারা ইরানের সরকার এবং তাদের প্রাক্তন সংগঠনদের জন্য অর্থনৈতিক সঙ্কটের সুযোগ প্রদান করে।"
ফিনট্র্যাকের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা নিয়মিতভাবে বিদেশী অর্থনৈতিক তথ্য এককদের সাথে কাজ করে, যারা অর্থ লন্ডারিং, আত্মঘাতী অর্থায়ন এবং অর্থনৈতিক সঙ্কটের বিরুদ্ধে লড়াই করে। তারা বলেছে, দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে, কেন্দ্রটি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক তথ্য এককদের সাথে তথ্য ভাগ করে নেয়।
এই সঙ্কশন ঘোষণার মাধ্যমে ইরানের অর্থনৈতিক জীবনলাইন কাটার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের রিয়াল মুদ্রার মূল্য নতুন নিম্নে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে ইনফ্লেশন ৯০ শতাংশেরও বেশি।
এই সঙ্কশন ঘোষণার সাথে সাথে, আমেরিকা ইরানের তেল রফতানি এবং বিমান সংস্থাগুলোর উপর সঙ্কট আরোপের জন্য ভারত এবং তুরস্কের একটি নেটওয়ার্ককে সঙ্কশন করেছে। এই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছেন সুনিল কুমার শর্মা এবং তার স্ত্রী জাসপ্রীত প্রীতি শাহিদ, যারা ভারতের চণ্ডীগড় শহরে অবস্থিত।
"কানাডা অবৈধ অর্থ লন্ডারিংকারী প্রতিষ্ঠানদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে পারে না, যারা ইরানের সরকার এবং তাদের প্রাক্তন সংগঠনদের জন্য অর্থনৈতিক সঙ্কটের সুযোগ প্রদান করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কানাডা (অন্টারিও ও ব্রিটিশ কলম্বিয়া), ভারত (চণ্ডীগড়), সিঙ্গাপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্কট বেসেন্ট (আমেরিকার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি), সুনিল কুমার শর্মা, জাসপ্রীত প্রীতি শাহিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বিলিয়ন ডলার (অপব্যবহারকারী লেনদেন), ৯০ শতাংশ (ইনফ্লেশন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!