📌 নেত্রকোনা জেলার জয়নগর এলাকার বন কার্যালয় থেকে রেইনট্রি ও মেহগনি গাছ কাটা-সরানোর অভিযোগে ৩০ বছর বয়সী রুবেল মিয়াকে পুলিশ আটক করে। বন বিভাগের অভিযোগ না থাকায় তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বন কর্মকর্তারা ঘটনাটি নিশ্চিত করেননি
নেত্রকোনা জেলার জয়নগর এলাকার সহকারী বন সংরক্ষক কার্যালয় থেকে রেইনট্রি ও মেহগনি গাছ কাটা-সরানোর অভিযোগে স্থানীয় পুলিশ আটক ব্যক্তিকে পরিবারের জিম্মায় দিয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির নাম রুবেল মিয়া (৩০)। তিনি বারহাট্টা উপজেলার দেউলি গ্রামের বাসিন্দা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেত্রকোনা জেলার বন কার্যালয় থেকে গাছ কাটা-সরানোর অভিযোগে রুবেল মিয়া (৩০) ও একজন হ্যান্ডট্রলি চালক আটক করা হয়।
- 📌 বন বিভাগের অভিযোগ না থাকায় আটক ব্যক্তিকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
- 📌 গাছগুলো সরানোর জন্য ছয়টি হ্যান্ডট্রলি ও একটি ভ্যান ব্যবহারের প্রস্তুতি ছিল।
- 📌 বন কর্মকর্তারা ঘটনাটি নিশ্চিত করেননি; ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম বলেন, ‘গাছগুলো অফিসে রাখার কথা ছিল, পরে নিলামে বিক্রি করা হবে’।
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা গতকাল রাত ১০টার দিকে কার্যালয়ে গাছ কাটতে দেখা যায়।
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে বন কার্যালয় এলাকায় গাছ কাটার অভিযোগে রুবেল মিয়াকে হ্যান্ডট্রলিসহ আটক করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ জানান, কার্যালয়ের ভেতরে গাছ কাটা ও সরানোর চেষ্টা চলছিল। তারা সন্দেহজনক মনে করে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে হ্যান্ডট্রলিসহ রুবেল মিয়াকে আটক করে।
ওসি আবুল খায়ের বলেন, ‘বন বিভাগের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দেওয়া হয়নি। এ কারণে আটক ব্যক্তিকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে’। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাটি নিশ্চিত করেননি। আজ রোববার দিনভর সহকারী বন সংরক্ষকের কার্যালয়ে ঘুরেও কোনো কর্মকর্তা পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি।
রাত সাড়ে ৭টার দিকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি প্রথমে বিষয়টি অবগত নন বলে জানান। পরে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি আংশিক শুনেছি। গাছগুলো কেটে অফিসে রাখার কথা বলা হয়েছিল। এগুলো পরে নিলামে বিক্রি করা হবে। অফিসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাউকে বলা হয়নি’। তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সহকারী বন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বন বিভাগের স্পিডবোটচালক ইন্দ্রজিতের নির্দেশে রুবেল মিয়া ও অন্যরা গাছগুলো সরিয়ে নিচ্ছিলেন। ইন্দ্রজিত ও রুবেল মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা। গাছ কাটার কাজে অংশ নেওয়া অন্য ব্যক্তিরাও একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
"কাঠবোঝাই হ্যান্ডট্রলিসহ একজনকে আটক করা হয়েছিল। তবে বন বিভাগের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দেওয়া হয়নি। এ কারণে আটক ব্যক্তিকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।"
"গাছগুলো কেটে অফিসে রাখার কথা বলা হয়েছিল। এগুলো পরে নিলামে বিক্রি করা হবে। অফিসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাউকে বলা হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা জেলা শহর, জয়নগর এলাকা, বারহাট্টা উপজেলা, দেউলি গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুবেল মিয়া (৩০), আবুল খায়ের (ওসি), কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম, ইন্দ্রজিত (স্পিডবোটচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর বয়সী রুবেল মিয়া, ৬টি হ্যান্ডট্রলি, ১টি ভ্যান, ১১:০০ টা, ১০:০০ টা, ৭:৩০ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!