📌 ড্রোন হামলা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড নতুন বহুজাতিক সামরিক জোট ‘ফ্যালকন স্ট্রাইক ফোর্স’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। আকাশ, সমুদ্র ও পানির নিচ থেকে পরিচালিত ড্রোনভিত্তিক এই বাহিনীতে যুক্তরাষ্ট্রসহ অঞ্চলটির অন্যান্য দেশ অংশ নেবে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম খরচের ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে কাজ করবে এই জোট
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ড্রোন হামলা মোকাবিলায় নতুন বহুজাতিক সামরিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। জোটটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফ্যালকন স্ট্রাইক ফোর্স’। সেন্টকম জানিয়েছে, এই বাহিনীতে আকাশ, সমুদ্র ও পানির নিচ থেকে পরিচালিত ড্রোন অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ অঞ্চলটির অন্যান্য দেশের অংশগ্রহণে গঠিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড নতুন বহুজাতিক সামরিক জোট ‘ফ্যালকন স্ট্রাইক ফোর্স’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছে
- 📌 জোটটিতে আকাশ, সমুদ্র ও পানির নিচ থেকে পরিচালিত ড্রোন অন্তর্ভুক্ত থাকবে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রসহ অঞ্চলটির অন্যান্য দেশ এই জোটে অংশ নেবে
- 📌 ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে কাজ করবে এই জোট
- 📌 সেন্টকমের পরিকল্পনা অনুযায়ী, একবার ব্যবহারযোগ্য মানববিহীন আক্রমণ ব্যবস্থা ব্যবহৃত হবে
📰 বিস্তারিত
সেন্টকম জানিয়েছে, গত সপ্তাহে তারা ‘ফ্যালকন স্ট্রাইক ফোর্স’ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই বাহিনীর কমান্ড কাঠামো ও কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেন্টকমের স্পেশাল অপারেশনের সেন্ট্রাল কমান্ডকে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম খরচের ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে কাজ করবে এই জোট।
সেন্টার ফর এ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির প্রতিরক্ষা কর্মসূচির পরিচালক স্টেসি পেটিজন বিবিসি ফার্সিকে বলেন, ড্রোন দূরপাল্লার হামলা পরিচালনা করা সহজ করে তুলেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সামরিক ঘাঁটি, বেসামরিক অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলো আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পেটিজনের মতে, সস্তা এবং প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এমন ব্যবস্থাগুলো ‘আক্রমণকারীর পক্ষে ভারসাম্য বদলে দিয়েছে’ কারণ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা অনেক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই ব্যয়বহুল এবং সংখ্যায় সীমিত।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানের সঙ্গে সংঘাতে কম খরচের ড্রোন সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এর কোনো নিখুঁত সমাধান নেই। তার মতে, সস্তা ড্রোনবিরোধী ব্যবস্থা, স্থাপনার সুরক্ষা জোরদার এবং প্রতিরূপ ও ছলনামূলক উপকরণের ব্যবহার ঝুঁকি কমাতে পারে, কিন্তু কিছু ঝুঁকি থেকেই যাবে।
"ড্রোন দূরপাল্লার হামলা পরিচালনা করা সহজ করে তুলেছে। সেনা বা উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তুর কাছে না নিয়ে দূর থেকে হামলা চালানো সম্ভব হচ্ছে। ফলে সামরিক ঘাঁটি, বেসামরিক অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলো আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্টেসি পেটিজন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া দূরপাল্লার গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!