📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইয়েমেনের যুদ্ধে ভাই-ভাই দু’জন ৩০০ কিলোমিটার পথে ৭ দিন ধরে পালিয়ে বাসস্থান ছেড়ে যান

ইয়েমেনের যুদ্ধে ভাই-ভাই দু’জন ৩০০ কিলোমিটার পথে ৭ দিন ধরে পালিয়ে বাসস্থান ছেড়ে যান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও মোখা শহরে হুতি বিদ্রোহীর আক্রমণে সাঈদ ও মোহাম্মদ হাসান পরিবারসহ ৫১৯ জনের বাড়ি ছেড়ে ৩০০ কিলোমিটার পথে ৭ দিন ধরে পালিয়ে যান। তাদের সঙ্গে ছিল বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সেনা সদস্য

ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও মোখা শহরে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীর তীব্র আক্রমণে সাঈদ ও মোহাম্মদ হাসান পরিবারসহ ৫১৯ জনের বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। তারা ৩০০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে ৭ দিন ধরে যুদ্ধের আগুন থেকে নিজেদের বাঁচাতে লড়াই করছেন। এই পালায়ন পথে তাদের সঙ্গে ছিল বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সেনা সদস্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও মোখা শহরে হুতি বিদ্রোহীর আক্রমণে সাঈদ ও মোহাম্মদ হাসান পরিবারসহ ৫১৯ জনের বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন।
  • 📌 তারা ৩০০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে ৭ দিন ধরে যুদ্ধের আগুন থেকে পালিয়ে যান।
  • 📌 সাঈদ হাসান বলেন, ‘আমি দেখলাম, বিপুলসংখ্যক সেনা সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে এলাকা ছেড়ে যাচ্ছেন।’
  • 📌 মোহাম্মদ হাসান জানান, ‘হুতিরা দ্রুত অগ্রসর হওয়ায় বাড়ি থেকে জিনিসপত্র নেওয়ার সুযোগ হয়নি।’
  • 📌 পথে পিকআপের টায়ার ফেটে গেলে মোহাম্মদ ক্ষতিগ্রস্ত টায়ার লাগিয়ে জীবন বাঁচান।

📰 বিস্তারিত

ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও মোখা শহরের মধ্যবর্তী লোহিত সাগর উপকূলীয় এলাকা আল-খোখা থেকে হুতি বিদ্রোহীদের আক্রমণ শুরু হলে সাঈদ হাসানের দুই ছেলে তাকে বিষয়টি জানান। শুরুতে সাঈদ হাসান বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে দেখলেও ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সেনারা পালাতে শুরু করলে তিনি নিজেই বাড়ি থেকে বের হয়ে পরিস্থিতি দেখতে গেলেন। সেখানে তিনি হতবাক হয়ে যান। তিনি দেখলেন, বিপুলসংখ্যক সেনা সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে এলাকা ছেড়ে যাচ্ছেন। সেদিন সন্ধ্যায় সাঈদ হাসান বাড়ি ছেড়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নেন।

সাঈদ হাসান তার ভাই মোহাম্মদ ও তাঁর পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে পালাতে রাজি করান। মোহাম্মদ শুরুতে সেনাদের পালিয়ে যাওয়ার খবর বিশ্বাস করেননি। কিন্তু যখন তাঁর ছেলেরা সেনাদের পালানোর ভিডিও দেখাল, তখনই তিনি বিশ্বাস করলেন। ইরান-সমর্থিত হুতিরা ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় হোদেইদাহ ও তাইজ প্রদেশে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। প্রথমে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকায় ব্যাপক গোলাবর্ষণ করা হয়। এরপর হুতি যোদ্ধারা স্থলপথে অগ্রসর হন।

৯ সেপ্টেম্বর সরকারি বাহিনীর ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সের প্রধান ঘাঁটি মোখা থেকে সেনারা সরে যান। এর সুযোগে হুতিরা মোখা, আল-খোখাসহ উপকূলীয় এলাকা দখল করে। পরিবার দুটি বাড়ি ছাড়ার সময় সঙ্গে কোনো খাওয়ার পানি নিতে পারেনি। পথে কোথাও পানি পাওয়া যাবে—এমন আশায় তারা রওনা হয়েছিল। কিন্তু পথে বেশির ভাগ মুদিদোকানই বন্ধ ছিল। যেগুলো খোলা ছিল, সেগুলোতে খাওয়ার পানি ছিল না।

সাঈদ হাসান স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই পুত্রবধূ, মেয়ে ও নাতনিকে নিয়ে ছোট একটি পিকআপে করে রওনা হন। মোহাম্মদও স্ত্রী ও এক আত্মীয়কে নিয়ে আরেকটি গাড়িতে ওঠেন। পথে পালিয়ে আসা তিন সেনাকেও গাড়িতে তুলে নেন মোহাম্মদ। সাঈদ বলেন, ‘আমি দেখেছি, সরকারি বাহিনীর সদস্যদের কেউ কেউ হুতিদের কাছে ধরা পড়ার ভয়ে সামরিক পোশাক খুলে ফেলছিলেন। কেউ অস্ত্র ফেলে দিচ্ছিলেন, কেউ আবার বালুর নিচে পুঁতে রাখছিলেন।’

"আমি দেখলাম, একেবারে নতুন কামান পড়ে আছে, যেগুলো থেকে একটি গোলাও ছোড়া হয়নি।"

পথে সাঈদ হাসান দেখেন, বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির মধ্যে সেনারা অস্ত্র ফেলে পালাচ্ছেন। পরিবার দুটি বাড়ি ছাড়ার সময় সঙ্গে কোনো খাওয়ার পানি নিতে পারেনি। পথে বেশির ভাগ মুদিদোকানই বন্ধ ছিল। যেগুলো খোলা ছিল, সেগুলোতে খাওয়ার পানি ছিল না। এর মধ্যেই মোহাম্মদের পিকআপের একটি টায়ার হঠাৎ ফেটে গেলে বিপদ আরও বেড়ে যায়। মোহাম্মদ বলেন, ‘টায়ার ফেটে গাড়িটি প্রায় উল্টে যাচ্ছিল। আমরা মারা যেতে পারতাম। ক্ষতিগ্রস্ত টায়ারটি খুলে এমন একটি টায়ার লাগিয়েছিলাম, যেটি আগে থেকেই নষ্ট ছিল।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও মোখা শহর, আল-খোখা উপকূল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাঈদ হাসান, মোহাম্মদ হাসান, হুতি বিদ্রোহীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ কিলোমিটার (পথ), ৭ দিন (পালানোর সময়), ৫১৯ জন (পরিবারসহ বাস্তুচ্যুত), ৯ সেপ্টেম্বর (সেনা পালানোর তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖