📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইয়েমেনে যুদ্ধের ভারসাম্য ধরে রাখাই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কৌশল, কেন বিজয় নয়?

ইয়েমেনে যুদ্ধের ভারসাম্য ধরে রাখাই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কৌশল, কেন বিজয় নয়?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইয়েমেনের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য বিজয় নয়, বরং ক্ষমতার ভারসাম্য ধরে রাখা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ও হুতিদের মধ্যে স্থবির সংঘাতের মধ্যেও অঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষাই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য

ইয়েমেনের যুদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে কোনো পক্ষই বিজয়ী হতে চায় না, বরং প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার মধ্যেই নিজেদের স্বার্থ খুঁজে নেয়। মার্কিন কৌশলবিদ এডওয়ার্ড লুটওয়াকের ১৯৯৯ সালের তত্ত্ব ‘গিভ ওয়ার আ চান্স’-এর আলোকে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের সমাপ্তি মানেই শান্তি নয়। সিরিয়া সংকটের সময়ও একই কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইয়েমেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রধান লক্ষ্য বিজয় নয়, ক্ষমতার ভারসাম্য ধরে রাখা
  • 📌 ২০১৫ সাল থেকে হুতিরা সানা দখল করলেও পুরো দেশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি
  • 📌 সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও উত্তরের বেশিরভাগ অঞ্চল এখনো হুতিদের নিয়ন্ত্রণে
  • 📌 হুতিদের পূর্ণ বিজয় হলে সৌদি আরবের সীমান্তে ইরানঘেঁষা শক্তির স্থায়ী অবস্থান তৈরি হতে পারে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়, বিজয় নয়

📰 বিস্তারিত

১৯৯৯ সালে মার্কিন কৌশলবিদ এডওয়ার্ড লুটওয়াক তাঁর প্রবন্ধে উল্লেখ করেছিলেন যে যুদ্ধের সমাপ্তি মানেই শান্তি নয়। সিরিয়া সংকটের সময়ও একই যুক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল। ইয়েমেনের যুদ্ধেও একই কৌশল দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল চায় না কোনো পক্ষই পুরোপুরি জয়ী হোক, কারণ তা অঞ্চলের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

২০১৫ সালের মার্চে হুতিরা সানা দখল করার পর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হস্তক্ষেপ শুরু হয়। মূল লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে পুনর্বাসিত করা। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ফ্রন্টলাইনগুলো স্থবির হয়ে পড়ে। ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও উত্তরের বেশিরভাগ অঞ্চল এখনো হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছে হুতিদের পূর্ণ বিজয় মোটেও কাম্য নয়। কারণ তা সৌদি আরবের সীমান্তে ইরানঘেঁষা শক্তির স্থায়ী অবস্থান তৈরি করতে পারে। এছাড়া বাব আল-মানদেব প্রণালীতে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

"যুদ্ধের সমাপ্তি মানেই শান্তি নয়, আবার সব বিজয়েও কাঙ্ক্ষিত ফল আসে না। কখনো কখনো কৌশলগত স্বার্থ লুকিয়ে থাকে কাউকে জিততে না দেওয়ার মধ্যে।"

২০২৫ সালের শেষ দিকে ও ২০২৬ সালের শুরুতে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়ে ওঠে। এডেন ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে দক্ষিণ অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব সামরিক পদক্ষেপ নেয়। এছাড়া মুসলিম ব্রাদারহুড-ঘেঁষা ‘ইসলাহ’ পার্টিকে দমনের বিষয়ে রিয়াদ ও আবুধাবির মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে দোলাচলের কারণেও সৌদি আরবের প্রতি ওয়াশিংটনের আস্থা কমেছে। ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিটি পক্ষের হিসাব আলাদা। হুতি ও ইরান, ইয়েমেন সরকার ও সৌদি জোট, আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—সবার কাছে ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ ভিন্ন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইয়েমেন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এডওয়ার্ড লুটওয়াক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৫ সাল থেকে যুদ্ধ চলছে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖