📌 সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খানের হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ও সহযোগী অমিত হাসানকে সীমান্ত এলাকায় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের অভিযানে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন তারা
সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খানের হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ও সহযোগী অমিত হাসানকে সীমান্ত এলাকায় থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভারতে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা, যা পুলিশের কাছে তথ্য পৌঁছানোর পর অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে সীমান্ত এলাকায় নাহিদ হাসান ও অমিত হাসান গ্রেপ্তার
- 📌 নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাকার মৃত গিয়াসউদ্দিনের ছেলে, অমিত হাসান ওরফে শিপন হাসান হুমায়ুন কবীরের ছেলে
- 📌 ২ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে চায়ের দোকানের মালিক বাপ্পি হাসানের সঙ্গে বিরোধে জাকারিয়া নাহিদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন
- 📌 মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, আরো ৭ জন অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখিত
- 📌 আগের দিনই মামলার আসামি মুহিদ হাসান বনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, কলেজছাত্র জাকারিয়া খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এর ভিত্তিতে সদর থানা, কালিগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নাহিদ হাসান এবং সন্দেহভাজন অমিত হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাতক্ষীরা শহরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে একটি চায়ের দোকানের মালিক রবিউল ইসলামের ভাইপো বাপ্পি হাসানের সঙ্গে নাহিদসহ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরোধ বাধে। এ সময় বাপ্পি হাসানকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে জাকারিয়া নাহিদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় জাকারিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
জাকারিয়ার ভাই শাহরিয়ার খান বাদী হয়ে শনিবার রাতে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় নিহত জাকারিয়ার ভাই শাহরিয়ার খান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, আরো সাতজন অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখিত। আগের দিনই মামলার আসামি মুহিদ হাসান বনিকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
"২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে একটি চায়ের দোকানের মালিক রবিউল ইসলামের ভাইপো বাপ্পি হাসানের সঙ্গে নাহিদসহ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরোধ বাধে। এ সময় বাপ্পি হাসানকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে কলেজছাত্র জাকারিয়া নাহিদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা সদর, কালিগঞ্জ উপজেলা, শুইলপুর সীমান্ত এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদ হাসান, অমিত হাসান (শিপন), জাকারিয়া খান, শাহরিয়ার খান, ওসি মো. শফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন গ্রেপ্তার, ১২ জন আসামি, ৭ জন অজ্ঞাতনামা আসামি, ৩৮ বছর বয়সী মুকুল হোসেন (অন্যান্য ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!