📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭১ বছর বয়সী চীনা বৃদ্ধের ব্যাংকে ৭৭ লাখ টাকা পাওয়ার গল্প: ২১ বছর ধরে ভাঙারি কুড়িয়ে জীবন যাপন করতেন

৭১ বছর বয়সী চীনা বৃদ্ধের ব্যাংকে ৭৭ লাখ টাকা পাওয়ার গল্প: ২১ বছর ধরে ভাঙারি কুড়িয়ে জীবন যাপন করতেন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৭১ বছর বয়সী চীনা বৃদ্ধ রু ২১ বছর ধরে ভাঙারি কুড়িয়ে জীবন যাপন করতেন। সামাজিক সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৭৭ লাখ টাকার বেশি পেনশন জমা আছে, যা তিনি এক দশক ধরে পাচ্ছিলেন কিন্তু জানতেন না

৭১ বছর বয়সী চীনা বৃদ্ধ রু ২১ বছর ধরে ভাঙারি কুড়িয়ে জীবন চালাচ্ছিলেন। চাকরি হারিয়ে, অর্থের অভাবে এবং ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ার পর পরিবার ও বন্ধুরাও তাকে দূরে ঠেলে দেয়। অভিমান বশত তিনি নিজের শহর জুঝো ছেড়ে চলে যান সাংদে শহরে। কিন্তু শেষ বয়সে তার জীবনে একটি অপ্রত্যাশিত সৌভাগ্য আসে — তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৭৭ লাখ টাকার বেশি পেনশন জমা ছিল, যা তিনি এক দশক ধরে পাচ্ছিলেন কিন্তু জানতেন না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭১ বছর বয়সী চীনা বৃদ্ধ রু ২১ বছর ধরে ভাঙারি কুড়িয়ে জীবন যাপন করতেন এবং নিজের শহর ছেড়ে অন্য শহরে চলে যান।
  • 📌 ৩০ বছর ধরে একটি রাষ্ট্রীয় দোকানে কাজ করতেন রু, কিন্তু ২০০০-এর দশকে ছাঁটাই হওয়ার পর অর্থের অভাবে ঋণগ্রস্ত হন।
  • 📌 সামাজিক সহায়তা কেন্দ্রের কর্মকর্তা রুর সন্ধান পান এবং তিনি জানতে পারেন তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৪ লাখ ২৪ হাজার ২০৪ ইউয়ান (৭৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকা) জমা আছে।
  • 📌 রু এক দশক ধরে পেনশন পাচ্ছিলেন, কিন্তু মোবাইল না থাকায় নতুন নিয়মকানুন সম্পর্কে জানতেন না।

📰 বিস্তারিত

চীনের হুনান প্রদেশের জুঝো শহরের বাসিন্দা রু ৩০ বছর ধরে একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন দোকানে কাজ করতেন। কারিগরি স্কুল থেকে পাস করার পর তিনি ওই দোকানে চাকরি শুরু করেন। কিন্তু ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে তাকে ছাঁটাই করা হয়। ছাঁটাই হওয়ার পর তিনি কিছু ক্ষতিপূরণ পেয়েছিলেন, কিন্তু তা দ্রুতই খরচ করে ফেলেন। অর্থের অভাবে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং পরিবারের সঙ্গেও মনোমালিন্য শুরু হয়।

অভিমান বশত রু নিজের শহর ছেড়ে চলে যান সাংদে শহরে। ২০২৪ সালে সাংদে শহরের একটি সামাজিক সহায়তা কেন্দ্রের কর্মকর্তা একটি পরিত্যক্ত ভবনে রুর সন্ধান পান। রুর আত্মসম্মানবোধ বেশি থাকায় তিনি শুরুতে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কিন্তু পরে তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে রাজি হন এবং সেখানে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য জানান।

সাংদে ডেইলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসের শেষের দিকে রু তাঁর পেনশন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত একটি ব্যাংক কার্ড পান। সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা ছিল ৪ লাখ ২৪ হাজার ২০৪ ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকার বেশি। রু এক দশক ধরে পেনশন পাচ্ছিলেন, কিন্তু ছাঁটাই হওয়ার পর তিনি পেনশন বিমার কিস্তি জমা দিতে পারেননি। ফলে তিনি ধরে নিয়েছিলেন তিনি পেনশন পাবেন না। কোনো মোবাইল না থাকায় তিনি নতুন নিয়মকানুন সম্পর্কে কোনো তথ্য পাননি।

"আত্মসম্মানবোধ বেশি থাকায় রু শুরুতে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চীনের হুনান প্রদেশের জুঝো ও সাংদে শহর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রু (৭১ বছর বয়সী বৃদ্ধ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকা (৪ লাখ ২৪ হাজার ২০৪ ইউয়ান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖