📌 ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কোনো অর্থ নেই বলে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা চুক্তি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইয়েমেনের রাজধানী সানা পুনর্দখলের জন্য সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কোনো সুফল পাওয়া যাবে না বলে সোমবার (৫ অক্টোবর) তেহরানে আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরারাত মির্জোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিত হত্যা, নিষেধাজ্ঞা, চাপ ও হুমকি প্রয়োগ করে এবং দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, তাই তার সঙ্গে আলোচনার কোনো অর্থ নেই। ইরানের জনগণও এ ধরনের পদ্ধতি মেনে নেবেন না বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কোনো অর্থ নেই বলে মন্তব্য করেছেন।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা চুক্তি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
- 📌 ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী রাজধানী সানা পুনর্দখলের জন্য সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও বলেছেন, সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে এবং তারা বাব আল-মান্দাব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করছে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইয়েমেনে সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না, তবে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য ও সামরিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সোমবার তেহরানে আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরারাত মির্জোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কোনো অর্থ নেই বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, যে পক্ষ নিয়মিত হত্যা, নিষেধাজ্ঞা, চাপ ও হুমকি প্রয়োগ করে এবং দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, তার সঙ্গে আলোচনার কোনো অর্থ নেই। ইরানের জনগণও এ ধরনের পদ্ধতি মেনে নেবে না বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সোমবার সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা চুক্তি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে এবং ওয়াশিংটন সেটি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে তিনি সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াতে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।
ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, ইয়েমেনের রাজধানী সানা পুনর্দখলের জন্য সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘ভাই ও বন্ধুদের’ সহযোগিতায় এই অভিযান শুরু করা হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে সানা নিয়ন্ত্রণ করছে হুথিরা। ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর দাবি, তারা বাব আল-মান্দাব প্রণালির কাছে ধুবাব এলাকা এবং কয়েকটি কৌশলগত অবস্থান নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও বলেছেন, ইয়েমেনের মিত্র বাহিনীগুলো আগের সংঘর্ষে হারানো এলাকাগুলো পুনর্দখলের চেষ্টা করছে। তিনি বলেছেন, হুথিদের ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, বাব আল-মান্দাব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি ও ইয়েমেনি বাহিনী প্রতিরোধ করছে।
"যে পক্ষ নিয়মিত হত্যা, নিষেধাজ্ঞা, চাপ ও হুমকি প্রয়োগ করে এবং দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, তার সঙ্গে আলোচনার কোনো অর্থ নেই। ইরানের জনগণও এ ধরনের পদ্ধতি মেনে নেবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেহরান (ইরান), সানা (ইয়েমেন), ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), সৌদি আরব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ পেজেশকিয়ান (ইরানের প্রেসিডেন্ট), মার্কো রুবিও (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী), রাশাদ আল-আলিমি (ইয়েমেনের চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর (সোমবার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!