📌 টেক্সাসের হুইটলি হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার দক্ষতা নিয়ে হতাশ হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক দারিয়াস উইলিয়ামস। তাঁর দাবি, শিক্ষার্থীরা কথা বলতে পারলেও পড়তে ও লিখতে পারে না। এমনকি চার শব্দের একটি বাক্যও সম্পূর্ণ করতে পারেনি তারা
টেক্সাসের হুইটলি হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার দক্ষতা নিয়ে হতাশ হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মার্কিন শিক্ষক দারিয়াস উইলিয়ামস। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার দুপুরের খাবারের বিরতিতে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি জানান, দ্বিতীয় দিনের ক্লাসেই শিক্ষার্থীদের সাক্ষরতার দুরবস্থা দেখে তিনি আবেগ সামলাতে পারেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টেক্সাসের হুইটলি হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাত্র চার শব্দের একটি বাক্য সম্পূর্ণ করতে দেওয়া হয়
- 📌 শিক্ষার্থীরা সেই চার শব্দের বাক্যটিও শেষ করতে পারেনি বলে জানান শিক্ষক দারিয়াস উইলিয়ামস
- 📌 শিক্ষার্থীরা কথা বলতে, যুক্তি দিতে ও নিজেদের পক্ষে সাফাই দিতে পারলেও লিখতে পারে না
- 📌 ভিডিওতে শিক্ষক উইলিয়ামসের চোখ লাল হয়ে যায় এবং গাল বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে
📰 বিস্তারিত
হিউস্টন ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্টের অধীনস্থ হুইটলি হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার দক্ষতা নিয়ে হতাশ হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক দারিয়াস উইলিয়ামস। তিনি তাঁর ক্লাসের শিক্ষার্থীদের দুটি অনুচ্ছেদ পড়তে দেন এবং একটি বাক্য সম্পূর্ণ করতে বলেন। তিনি জানান, তিনি নিজেই প্রায় সম্পূর্ণ বাক্যটি লিখে দিয়েছিলেন, কিন্তু শিক্ষার্থীরা তা শেষ করতে পারেনি।
উইলিয়ামস বলেন, ‘আমি মূলত তাদের জন্য বাক্যটিই প্রায় সম্পূর্ণ করে দিয়েছিলাম। এরা ১৭ ও ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী, আর তারা চারটি শব্দও বসিয়ে বাক্যটি শেষ করতে পারেনি।’ তিনি আরও জানান, তিনি শিক্ষার্থীদের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছিলেন এবং সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছিলেন। এমনকি সমস্যা সমাধানের আগেই তিনি তাদের উত্তরও দিয়ে দিয়েছিলেন। তারপরও শিক্ষার্থীরা কাজটি সম্পন্ন করতে পারেনি।
ভিডিওতে শিক্ষক উইলিয়ামস বলেন, ‘এটা তো মাত্র দ্বিতীয় দিন, অথচ আমার এমন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আছে যারা ঠিকমতো পড়তেই পারে না। আর এমন শিক্ষার্থীও আছে যারা লিখতে পারে না।’ তাঁর চোখ লাল হয়ে যায় এবং গাল বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের তরুণ কৃষ্ণাঙ্গ ছেলেরা, আমাদের তরুণ বাদামি-চামড়ার ছেলেরা, আমাদের তরুণ কৃষ্ণাঙ্গ মেয়েরা এবং আমাদের তরুণ বাদামি-চামড়ার মেয়েরা...’ বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
‘আমি তাদের পরিস্থিতিটা বুঝিয়ে দিয়েছিলাম, আমরা একসঙ্গে বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছি। সমস্যার সমাধান করার আগেই আমি তাদের উত্তর দিয়ে দিয়েছিলাম, তারপরও তারা সেটা করতে পারেনি। সমস্যাটা কোথায়, আমি জানি না। সত্যিই জানি না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেক্সাস, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দারিয়াস উইলিয়ামস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (শব্দ), ১৭ (বছর), ১৮ (বছর), ২২ (জন শিক্ষার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!