📌 ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক শুধু অর্থনৈতিক লেনদেনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং গভীর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধনের উপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও স্বাধীনতার প্রতি সম্মানই এই সম্পর্কের মূল ভিত্তি
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের গভীরতা শুধু অর্থনৈতিক লেনদেনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এই সম্পর্কের ভিত্তি গভীর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধনে রয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ শনিবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’ সম্মেলনের অধিবেশনে এই কথা বলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক শুধু অর্থনৈতিক লেনদেন নয়, বরং গভীর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধনের উপর প্রতিষ্ঠিত
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের জনগণ গণতান্ত্রিকভাবে সরকার নির্বাচন করেছে এবং তাদের সিদ্ধান্তের ওপর ভারত বা অন্য কোনো দেশের হস্তক্ষেপের অধিকার নেই
- 📌 দুই দেশের মধ্যে সমস্যা থাকলে তা সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত, বিশ্বাস ও মর্যাদা এই সম্পর্কের ভিত্তি
- 📌 রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
- 📌 ভারতীয় হাইকমিশনার বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নজরুলগীতি ও রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে গভীর সাংস্কৃতিক যোগসূত্র রয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’ সম্মেলনে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধন রয়েছে, তা শুধু অর্থনৈতিক সম্পর্কের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘আমি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছি। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধন রয়েছে, তা আমি বুঝি। এই সম্পর্ক শুধু লেনদেনের সম্পর্ক নয়, এর চেয়েও অনেক বেশি কিছু।’
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ গণতান্ত্রিকভাবে তাদের সরকার নির্বাচন করেছে। বাংলাদেশ যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটি বাংলাদেশের সরকারের সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশকে কী করা উচিত, তা বলার অধিকার কারও নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘অন্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ওপর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নির্ভর করে না। বাংলাদেশ তার জনগণের স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাখে। প্রতিবেশী হিসেবে একে অপরের মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখানোই দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি।’
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘একটি পরিবারে যেমন নানা ধরনের সমস্যা বা মতপার্থক্য থাকে, দুই দেশের সম্পর্কেও তেমন বিষয় থাকতে পারে। গণতন্ত্রে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। এসব বিষয় সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আর সংলাপের ভিত্তি হলো বিশ্বাস।’ তিনি আরও বলেন, ‘যখন কোনো দুর্যোগ বা সংকট আসে, তখন ভালো প্রতিবেশী হিসেবে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো দায়িত্ব। একই সঙ্গে কোনো প্রতিবেশীরই অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ নীতিতে হস্তক্ষেপ করার কারণ নেই।’
সম্মেলনে ভারত-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে নজরুলগীতি এবং ভারতে রবীন্দ্রসংগীতের চর্চার মধ্যেও দুই দেশের গভীর সাংস্কৃতিক যোগসূত্র রয়েছে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুই দেশের জাতীয় সংগীত রচনা করেছেন। দুই দেশের এ সম্পর্ক সত্যিই অনন্য।’
"আমি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছি। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধন রয়েছে, তা আমি বুঝি। এই সম্পর্ক শুধু লেনদেনের সম্পর্ক নয়, এর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। এই সাংস্কৃতিক বন্ধন অত্যন্ত গভীর ও শক্তিশালী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীনেশ ত্রিবেদী (ভারতীয় হাইকমিশনার), শামা ওবায়েদ ইসলাম (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিনব্যাপী সম্মেলন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!