📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বান্দরবানের লামায় রিসোর্টে পাল্টা হামলায় মামলা-মোকদ্দমার গুঁজো: পুলিশের অদলবদল কেন?

বান্দরবানের লামায় রিসোর্টে পাল্টা হামলায় মামলা-মোকদ্দমার গুঁজো: পুলিশের অদলবদল কেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বান্দরবানের লামায় মিরিঞ্জা ভ্যালির রয়েল হিল রিসোর্টে ২৪ সেপ্টেম্বর হামলায় আহত নারী কর্মীসহ বেশ কয়েকজন। রিসোর্ট মালিক আদালতে ২৫-২৬ জন আসামি করে মামলা করেন, কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি। পাল্টা হামলাকারীরা থানায় মামলা করে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, পুলিশের অদলবদলই ঘটনার পেছনে মূল কারণ

বান্দরবানের লামায় মিরিঞ্জা ভ্যালির একটি পর্যটন রিসোর্টে ২৪ সেপ্টেম্বর হামলার ঘটনা দু’পক্ষের মামলা-মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়েছে। হামলায় রিসোর্টের নারী কর্মীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনায় রিসোর্টের মালিক আদালতে মামলা করলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। পাল্টা হামলাকারীরা থানায় মামলা করে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, পুলিশের অদলবদলই ঘটনার পেছনে মূল কারণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে বান্দরবানের লামায় মিরিঞ্জা ভ্যালির রয়েল হিল রিসোর্টে হামলায় আহত হন নারী কর্মীসহ বেশ কয়েকজন।
  • 📌 রিসোর্ট মালিক রাসেল চৌধুরী আদালতে মামলা করেন এবং ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ২৫-২৬ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
  • 📌 পুলিশ মামলা নেয়নি, ফলে রাসেল চৌধুরী ২৮ সেপ্টেম্বর লামা সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।
  • 📌 পাল্টা হামলাকারীরা বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা করে, যেখানে রিসোর্ট মালিকসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
  • 📌 লামা পর্যটন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাবেকুল মাওলা দাবি করেন, পুলিশ হামলার শিকারদের মামলা নেয়নি, বরং আসামিরা থানায় গিয়ে পাল্টা মামলা করেছে।
  • 📌 লামা থানার ওসি কায়সার হামিদ বলেন, উভয় পক্ষের মারামারি হয়েছে, কিন্তু প্রথমে মামলা নেওয়া হয়নি মীমাংসার জন্য।

📰 বিস্তারিত

২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে মিরিঞ্জা ভ্যালির রয়েল হিল রিসোর্টে একদল লোক হামলা চালায়। হামলায় রিসোর্টের নারী কর্মীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। রাসেল চৌধুরী অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা রিসোর্টের জিনিসপত্র ভাঙচুর করেছে এবং নগদ টাকা নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, ঘটনার পর থানায় গিয়ে মামলা করার চেষ্টা করেন, কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি। ফলে তিনি ২৮ সেপ্টেম্বর লামা সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলায় মো. সুলতান (৫৫), মো. জাফর (৩৮), মো. আইয়ুব (৩৫), আরিফ (৩৬) এবং শাহাদাতসহ (৪৫) পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২৫-২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। রাসেল চৌধুরী দাবি করেন, আসামিরা রিসোর্ট দখলের জন্য এসেছিলেন এবং লাঠিসোঁটাধারী লোকদের নিয়ে হামলা চালিয়েছিলেন।

পাল্টা হামলাকারীরা জাফর আলম ও মো. সুলতানদের নেতৃত্বে মামলা করেন। তারা দাবি করেন, রাসেল চৌধুরীর নেতৃত্বে ২০-৩০ জন লোক তাদের রিসোর্টে হামলা চালিয়েছে। তারা মীমাংসা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রাসেল চৌধুরী মীমাংসা করতে রাজি না হওয়ায় তারা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় রাসেল চৌধুরী, শিশির স্বপন চাকমা, তাঁর স্ত্রী সঞ্চিতা চাকমা এবং মো. শাহাবুদ্দিনসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০-৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

লামা পর্যটন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাবেকুল মাওলা জানান, জাফর ও সুলতানদের সঙ্গে জায়গা নিয়ে মামলা থাকলেও, দিনের বেলায় হামলা চালিয়ে তারা দখল করতে চেয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, পুলিশ হামলার শিকার ব্যক্তিদের মামলা নেয়নি এবং আদালতে মামলা করলেও আসামিদের গ্রেপ্তার না করে পাল্টা মামলা করেছে। তিনি বলেন, হামলার শিকার ব্যক্তিরা এখন আতঙ্কে পালিয়ে রয়েছেন।

"পুলিশ হামলার ঘটনায় মামলা নেয়নি, আদালতে গিয়ে তাঁদের মামলা করতে হয়েছে। অথচ যাঁদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, তাঁরা এক সপ্তাহের পর একই ঘটনায় হামলার শিকারদের বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে মামলা করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরিঞ্জা ভ্যালি, লামা, বান্দরবান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসেল চৌধুরী, জাফর আলম, মো. সুলতান, সাবেকুল মাওলা, কায়সার হামিদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ সেপ্টেম্বর (হামলার তারিখ), ২৫-২৬ জন (অজ্ঞাতনামা আসামি), ১২ জন (রিসোর্ট মালিকসহ), ৫৫, ৩৮, ৩৫, ৩৬, ৪৫ (আসামিদের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖