📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্রে সিইওদের বিপুল পারিশ্রমিক: কর্মীদের আয় থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ গুণ বেশি ইলন মাস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে সিইওদের বিপুল পারিশ্রমিক: কর্মীদের আয় থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ গুণ বেশি ইলন মাস্ক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সিইওদের গড় আয় কর্মীদের তুলনায় ৩১২ গুণ বেশি ছিল। ইলন মাস্কের আয় টেসলার কর্মীদের চেয়ে ২৫ লাখ গুণ বেশি। শ্রমিক সংগঠন এএফএল-সিআইও সতর্ক করে জানিয়েছে, বেতনবৈষম্য বৃদ্ধির কারণে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে

২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও কর্মীদের মধ্যে বেতনবৈষম্য চরম আকার ধারণ করেছে। শ্রমিক ইউনিয়ন জোট এএফএল-সিআইওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিইওরা গড়ে তাঁদের কোম্পানির মধ্যম সারির কর্মীর চেয়ে ৩১২ গুণ বেশি আয় করেছেন। এই ব্যবধান আগের বছরের তুলনায় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৫ সালে টেসলার সিইও ইলন মাস্কের আয় ছিল ১৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার, যা প্রতিষ্ঠানটির গড় কর্মীর চেয়ে ২৫ লাখ গুণ বেশি
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সিইওদের গড় বার্ষিক পারিশ্রমিক ৩১০ কোটি ডলার, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১ হাজার ৭০০ শতাংশ বৃদ্ধি
  • 📌 উৎপাদন খাতে সিইও ও কর্মীর আয় ব্যবধান ছিল ১১ হাজার শতাংশের বেশি
  • 📌 স্টারবাকসের সিইও ব্রায়ান নিকল কর্মীদের তুলনায় ১ হাজার ৭৯৪ গুণ বেশি আয় করেছেন
  • 📌 এএফএল-সিআইও সতর্ক করে জানিয়েছে, অতিরিক্ত পারিশ্রমিক অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধির কারণ হতে পারে

📰 বিস্তারিত

শ্রমিক ইউনিয়ন জোট এএফএল-সিআইওর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সিইওদের গড় বার্ষিক পারিশ্রমিক ছিল ৩১০ কোটি ডলার। এই পরিমাণ ২০২৪ সালের তুলনায় ১ হাজার ৭০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ইলন মাস্ককে বাদ দিলে গড় পারিশ্রমিক দাঁড়ায় ২ কোটি ২৮ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি।

বেতনবৈষম্যের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ব্যবধান দেখা গেছে উৎপাদন খাতে। এই খাতের একজন সিইও গড়ে বার্ষিক আয় করেছেন ৬৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যেখানে একজন কর্মীর গড় আয় ছিল ৯৩ হাজার ডলারের কিছু বেশি। অর্থাৎ তাঁদের আয়ের ব্যবধান ছিল ১১ হাজার শতাংশের বেশি। টেসলায় এই ব্যবধানের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

স্টারবাকসেও বেতনবৈষম্য প্রকট। প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মীর গড় আয় ছিল ১৭ হাজার ২৭৯ ডলার, অন্যদিকে সিইও ব্রায়ান নিকলের আয় ছিল ৩ কোটি ডলারের বেশি। ফলে তাঁদের আয় ব্যবধান দাঁড়ায় ১ হাজার ৭৯৪ অনুপাত ১। অ্যামাজনের সিইও অ্যান্ডি জ্যাসি কর্মীদের তুলনায় ৫১ গুণ বেশি আয় করেছেন। ম্যাকডোনাল্ডসের সিইও ক্রিস কেম্পচিনস্কির আয় প্রতিষ্ঠানটির গড় কর্মীর চেয়ে ১ হাজার ৮২ গুণ বেশি।

"সিইওদের অতিরিক্ত পারিশ্রমিকের কারণে অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়ছে। এমনকি তাতে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ব্যক্তিগত মুনাফার বিষয়টি মুখ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইলন মাস্ক, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ব্রায়ান নিকল, অ্যান্ডি জ্যাসি, ক্রিস কেম্পচিনস্কি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১২ গুণ, ২৫ লাখ গুণ, ৩১০ কোটি ডলার, ১৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖