📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হরমুজ প্রণালিতে ওমান-ইরান সমঝোতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষোভ ও ট্রাম্পের হুমকি

হরমুজ প্রণালিতে ওমান-ইরান সমঝোতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষোভ ও ট্রাম্পের হুমকি

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও ওমানের যৌথ সমঝোতা চুক্তির বিরোধিতা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ওমানকে হুমকি দিয়েছেন যে, চুক্তি বাধা হয়ে দাঁড়ালে সেখানে বোমাবর্ষণ করা হবে। এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও ওমানের যৌথ সমঝোতা চুক্তির বিরোধিতা করে ওমানকে ব্যাপক বোমাবর্ষণের হুমকি দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এই চুক্তি ইরানের নিয়ন্ত্রণকে বৈধতা দেবে এবং তাদের প্রভাবকে দুর্বল করবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ট্রাম্পের দাবি, ওমান যদি ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেখানে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করা হবে
  • 📌 ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ট্রাম্পের দাবি অস্বীকার করেছে
  • 📌 হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও ওমান যৌথভাবে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের চুক্তির আলোচনা করছে
  • 📌 গত মে মাসেও ট্রাম্প ওমানকে একই ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন
  • 📌 হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন করা হতো

📰 বিস্তারিত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (১৭ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও ওমানের যৌথ সমঝোতা চুক্তির বিরোধিতা করেন। তিনি দাবি করেন, ওমান যদি ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করবে। ট্রাম্প আরও জানান, তার প্রশাসন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে গোপন আলোচনার চ্যানেল তৈরি করেছে।

তবে আইআরজিসির মুখপাত্র ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজকে জানান, আমেরিকানদের সঙ্গে আইআরজিসির কোনো আলোচনা হচ্ছে না। ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে তারা ‘পরাজয় ও যুদ্ধের হতাশা থেকে সৃষ্ট কল্পনা’ বলে অভিহিত করেছেন।

গত মে মাসেও ট্রাম্প ওমানকে একই ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন। সেসময় তিনি বলেছিলেন, কেউ হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করবে না এবং ওমান অন্য সবার মতো আচরণ না করলে তাদের উড়িয়ে দেওয়া হবে। পরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরও ট্রাম্পের বক্তব্যের লিখিত প্রতিলিপি প্রকাশ করে।

হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও ওমান সরাসরি আলোচনা করছে কাতারের মধ্যস্থতায়। তারা প্রণালিতে ভবিষ্যতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন রুট নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, প্রস্তাবিত ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো ইরান ও ওমানের সার্বভৌম অধিকার রক্ষা করা এবং বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা।

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবি হলো, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ কমাতে হবে। কিন্তু ইরান ও ওমানের সম্ভাব্য চুক্তি সেই নিয়ন্ত্রণকে আরও বৈধতা দিতে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। গালফ স্টাডিজের অধ্যাপক লালেহ খলিলি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরান ও ওমান যদি নিজেরাই হরমুজের জাহাজ চলাচল পরিচালনা করে, তাহলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবহীনতার বিষয়টি সামনে নিয়ে আসবে।

"ওমান যদি বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আমরা তাদের ওপর ব্যাপক বোমাবর্ষণ করব।"

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। প্রতিদিন প্রায় ১৩০টি জাহাজ এই জলপথ দিয়ে চলাচল করত। ইরান মার্চের শুরুতে প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় এবং কেবল নিজেদের ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত কিছু জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেয়।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র একটি পানামার পতাকাবাহী কার্গো জাহাজে গুলি চালানোর কথাও জানিয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, জাহাজটি ইরানি বন্দরের দিকে যাচ্ছিল এবং মার্কিন নির্দেশ মানেনি। তেলের দামও বেড়েছে হরমুজ সংকটের কারণে। যুদ্ধ শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৬৬ ডলার। যুদ্ধ চলাকালে দাম কয়েকবার ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে এবং মার্চে সর্বোচ্চ প্রায় ১১৯ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছিল। মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে ৯১.২২ ডলার হয়েছে।

ওমান দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্র ও ওমানের মধ্যে প্রায় ২০০ বছরের সম্পর্ক রয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, ওমান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, আইআরজিসি মুখপাত্র
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩০ (প্রতিদিন জাহাজ চলাচল), ৬৬ (ডলার), ১০০ (ডলার), ১১৯ (ডলার), ৯১.২২ (ডলার), ২০০ (বছরের সম্পর্ক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖