📌 পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে তিন ফিলিস্তিনি পরিবারের ওপর পাঁচ দিন ধরে চলা ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অবরোধের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা ও ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতও বসতি স্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছেন
পশ্চিম তীরের অধিকৃত কুসরা গ্রামে তিনটি ফিলিস্তিনি পরিবারের ওপর পাঁচ দিন ধরে চলা ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অবরোধের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা ও ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয় জানায়, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের এ অবরোধের ফলে পরিবারগুলো তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা জানায়, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অবরোধের ফলে তিনটি ফিলিস্তিনি পরিবারের ১৫ সদস্য (তাদের মধ্যে দুই শিশু) তাদের ঘরে অবরুদ্ধ রয়েছেন।
- 📌 জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অবরোধের ফলে পরিবারগুলোর জীবনযাত্রা অসহনীয় হয়ে উঠেছে এবং তাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট।
- 📌 ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করে, ইসরায়েল সরকার বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের ভূমি দখলের নীতি বাস্তবায়ন করছে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বৃহস্পতিবার বসতি স্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেন।
- 📌 কুসরা গ্রামের মেয়র আবদুল আজিম ওয়াদি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বসতি স্থাপনকারীদের সহায়তা করছে।
📰 বিস্তারিত
পশ্চিম তীরের অধিকৃত কুসরা গ্রামে তিনটি ফিলিস্তিনি পরিবারের ওপর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের পাঁচ দিন ধরে চলা অবরোধের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা ও ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয় জানায়, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের এ অবরোধের ফলে পরিবারগুলো তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অবরোধের ফলে তিনটি ফিলিস্তিনি পরিবারের ১৫ সদস্য (তাদের মধ্যে দুই শিশু) তাদের ঘরে অবরুদ্ধ রয়েছেন। পরিবারগুলোর পানির সরবরাহ ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। জাতিসংঘের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এই তিন পরিবারের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে, তারা যেন জোরপূর্বক উচ্ছেদের শিকার না হন।”
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে অভিযোগ করে, ইসরায়েল সরকার বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের ভূমি দখলের নীতি বাস্তবায়ন করছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বসতি স্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে বর্ণনা করা যায়।
"এই অবরোধের ফলে ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর জীবনযাত্রা অসহনীয় হয়ে উঠেছে এবং তাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট।"
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বৃহস্পতিবার বসতি স্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেন। আল জাজিরার প্রতিবেদক নিদা ইব্রাহিম জানান, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী প্রাথমিকভাবে পরিবারগুলোকে তাদের ঘর থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও পরিবারগুলো তা প্রত্যাখ্যান করে। তারা বিশ্বাস করে না যে সেনাবাহিনী তাদের আবার ঘরে ফিরতে দেবে।
কুসরা গ্রামের মেয়র আবদুল আজিম ওয়াদি আল জাজিরাকে জানান, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বসতি স্থাপনকারীদের সহায়তা করছে। তিনি বলেন, “আমরা তাদের একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে, বারবিকিউ করতে এবং নাচতে দেখেছি। তারা অবরুদ্ধ পরিবারগুলোর সহায়তায় তেমন আগ্রহী নয়।”
কুসরা গ্রামের বাসিন্দা আবদুল করিম হাসান আল জাজিরাকে বলেন, তিনি নিজের ঘর রক্ষা করতে সাত মাস ধরে নিজের গাড়িতে রাত কাটিয়েছেন। তিনি বলেন, “এটি সবই একটা প্রহসন। যদি তারা সিরিয়াস হতো, তাহলে পুরো অভিযান শেষ করতে তাদের এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগত না।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুসরা, পশ্চিম তীর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল আজিম ওয়াদি, নিদা ইব্রাহিম, আবদুল করিম হাসান, মাইক হাকাবি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন, ২০ জন বসতি স্থাপনকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!