📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতিসংঘের তদন্তে প্রকাশ: যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় জাতিগত নিধন অব্যাহত

জাতিসংঘের তদন্তে প্রকাশ: যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় জাতিগত নিধন অব্যাহত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশন প্রকাশ করেছে যে, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় জাতিগত নিধনের অপরাধ অব্যাহত রেখেছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই অপরাধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন গতকাল প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত বছরের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় জাতিগত নিধনের অপরাধ অব্যাহত রেখেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজার ফিলিস্তিনিদের সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার লক্ষ্যে এই অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতিসংঘের তদন্তে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের গাজায় জাতিগত নিধনের অপরাধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৭৪ হাজারাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে
  • 📌 ইসরায়েলি বাহিনী যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভারী গোলাবারুদ, ড্রোন, কোয়াডকপ্টার, আর্টিলারি ও স্নাইপার ফায়ার ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে
  • 📌 পশ্চিম তীরে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৫৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে
  • 📌 ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ৩৪ হাজার ১৭৬ জন ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে
  • 📌 ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল মেরন জাতিসংঘের তদন্তকে ‘ইসরায়েলের বৈধতা ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন

📰 বিস্তারিত

জাতিসংঘের পূর্ব জেরুজালেমসহ অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড এবং ইসরায়েলসংক্রান্ত স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর চালানো মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের গাজার ফিলিস্তিনিদের সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার লক্ষ্যে জাতিগত নিধনের অপরাধ অব্যাহত রাখার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত কমিশনের আরেকটি প্রতিবেদনে ইসরায়েলের গাজায় জাতিগত নিধনের অভিযোগ উঠেছিল। তবে ইসরায়েল এই অভিযোগকে ‘কেলেঙ্কারি’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল। ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল মেরন এক বিবৃতিতে বলেছেন, জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের মতো সংস্থাগুলো ইসরায়েলের বৈধতা ক্ষুণ্ন করার এবং এর আত্মরক্ষা ও অস্তিত্ব রক্ষার অধিকারকে অস্বীকার করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, ইহুদি রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, যুদ্ধবিরতি চলাকালেও ইসরায়েলি বাহিনী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভারী গোলাবারুদ, ড্রোন, কোয়াডকপ্টার, আর্টিলারি ও স্নাইপার ফায়ার ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘হলুদ রেখা’ (ইয়েলো লাইন) ক্রমশ গাজার আরও ভেতরের দিকে প্রসারিত হচ্ছে, যা ইসরায়েলের ভূখণ্ডগত সম্প্রসারণের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি নিহত হওয়ার পর গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলের নৃশংস আগ্রাসনে ৭৪ হাজারাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। পাশাপাশি, পশ্চিম তীরে ২০০৮ সাল থেকে ২০২৩ সালের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত বিমান হামলায় ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত হলেও, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সংখ্যা বেড়ে ২৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

"পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা এবং বাড়িঘর ধ্বংস করার ঘটনা ফিলিস্তিনিদের উৎখাত ও বাস্তুচ্যুত করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ।"

কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসন মুরালিধর বলেছেন, ১৯৬৭ সালের পর ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে পরিচালিত সামরিক অভিযানে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সবচেয়ে বেশি বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ৩৪ হাজার ১৭৬ জন ফিলিস্তিনি এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন। কমিশন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষেরও সমালোচনা করেছে, তারা ভিন্নমত পোষণকারী ফিলিস্তিনিদের নিশানা বানিয়েছে, যার ফলে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা নিহত ও আহত হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজা, পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম, ইসরায়েল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ড্যানিয়েল মেরন, শ্রীনিবাসন মুরালিধর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ হাজার (নিহত ফিলিস্তিনি), ২৫৪ জন (পশ্চিম তীরে নিহত), ৩৪ হাজার ১৭৬ জন (বাস্তুচ্যুত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖