📌 জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় তিনজন মালিকের মধ্যে বিরোধের কারণে একটি গভীর নলকূপ বন্ধ থাকায় ২০০ বিঘা জমির ধান ফসলের সেচ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকদের ফসলের ক্ষতি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় একটি গভীর নলকূপের মালিকদের মধ্যে বিরোধের কারণে বন্ধ থাকায় প্রায় ২০০ বিঘা জমির ধান ফসলের সেচ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই সংকটে পড়েছে স্থানীয় কৃষকদের ফসলের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় তিনজন মালিকের মধ্যে বিরোধের কারণে একটি গভীর নলকূপ বন্ধ রয়েছে, যা ২০০ বিঘা জমির সেচের পানি সরবরাহ করতো
- 📌 বিদ্যুৎ সরঞ্জামের মালিক মো. সেলিম উদ্দিন মণ্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, নলকূপের মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে, কিন্তু কৃষকদের ক্ষতি করার উদ্দেশে বন্ধ রাখেননি
- 📌 স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আব্দুল মোত্তালেব, মুনসুর, শফি, খোরশেদ, নূর মোহাম্মদ, আজবাহার ও মান্নানসহ অনেকের ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ বলেছেন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার বোড়াই মৌজায় তিনজন যৌথভাবে স্থাপন করা একটি গভীর নলকূপ বন্ধ থাকায় প্রায় ২০০ বিঘা জমির ধান ফসলের সেচ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই নলকূপটি দিয়ে জমিতে সেচের পানি সরবরাহ করা হতো। মালিকদের মধ্যে বিরোধের কারণে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরঞ্জামের মালিক মো. সেলিম উদ্দিন মণ্ডল বাড়িতে আটকে রেখেছেন। ফলে নলকূপটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।
এই বিরোধের কারণে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কৃষক আব্দুল মোত্তালেব বলেছেন, নলকূপ বন্ধ থাকায় জমিতে সময়মতো পানি দেওয়া যাচ্ছে না, ফলে ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। আরেক কৃষক মুনসুর বলেছেন, ইতিমধ্যে চাষাবাদে অনেক টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু সময়মতো সেচ দিতে না পারলে সেই খরচের সুফল পাওয়া যাবে না।
অন্যান্য কৃষকদের মধ্যে শফি, খোরশেদ, নূর মোহাম্মদ, আজবাহার ও মান্নানসহ অনেকের দাবি, দ্রুত নলকূপটি চালুর ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে মো. সেলিম উদ্দিন মণ্ডল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, নলকূপের মালিকানা নিয়ে তাঁদের মধ্যে কিছু বিরোধ রয়েছে, তবে কৃষকদের ক্ষতি করার উদ্দেশে নলকূপটি বন্ধ রাখেননি। তিনি দাবি করেছেন, বিদ্যুতের সরঞ্জাম নিজের হেফাজতে রাখার নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বলেছেন, একটি অভিযোগ পেয়েছেন। মালিকদের মধ্যে বিরোধ থাকতে পারে, তবে এর কারণে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেছেন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"নলকূপের মালিকানা নিয়ে আমাদের মধ্যে কিছু বিরোধ রয়েছে। তবে কৃষকদের ক্ষতি করার উদ্দেশে নলকূপটি বন্ধ রাখিনি। বিদ্যুতের সরঞ্জাম নিজের হেফাজতে রাখার নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা, বোড়াই মৌজা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মুরশিদ আলম, মো. নুর আলম সরকার, মো. সেলিম উদ্দিন মণ্ডল, আব্দুল মোত্তালেব, মুনসুর, শফি, খোরশেদ, নূর মোহাম্মদ, আজবাহার, মান্নান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ বিঘা জমি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!