📌 জাতিসংঘের তদন্তে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯টি দেশের নাগরিককে জোরপূর্বক সামরিক চুক্তিতে সই করানো এবং পাচার করা হয়েছে। চাকরির মিথ্যা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল নাগরিকদের রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়
জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯টি দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক পাচার ও সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো বিষয়ে প্রমাণ উদ্ধার করেছে। এই মানবপাচার চক্রে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল নাগরিকদের চাকরির মিথ্যা লোভ দেখিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসংঘের তদন্তে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯টি দেশের নাগরিককে জোরপূর্বক সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো প্রমাণ পাওয়া গেছে
- 📌 চাকরির মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল নাগরিকদের রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়
- 📌 রুশ ভাষায় লেখা সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো হয় এবং যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়, যার ফলে অনেকে নিহত বা আহত হন
- 📌 এই তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ফিলিপাইন, ঘানা, নাইজেরিয়া, কেনিয়া ও উজবেকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাচার হয়েছে
- 📌 জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন রাশিয়া সরকারকে দোষীদের বিচার ও বেআইনি নিয়োগ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের ইউক্রেনবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে সক্রিয় দালাল চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভালো বেতনের চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে বা ব্যবসায়িক ভিসার আড়ালে নাগরিকদের রাশিয়ায় নিয়ে যেত। রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হতো এবং রুশ ভাষায় লেখা সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হতো। এরপর তাদের সরাসরি ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রের ঝুঁকিপূর্ণ সম্মুখসারিতে পাঠানো হয়, যার ফলে অনেকে নিহত, আহত বা নিখোঁজ হয়ে পড়েছেন।
এই মানবপাচার চক্রের খপ্পরে পড়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এই তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ফিলিপাইন, ঘানা, নাইজেরিয়া, কেনিয়া ও উজবেকিস্তানসহ এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ।
জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন এই মানবপাচার বন্ধে রাশিয়া সরকারকে অবিলম্বে বেআইনি নিয়োগ বন্ধ ও দোষীদের বিচার করার আহ্বান জানিয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্র্যাকের প্রতিবেদনেও রাশিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠানোর বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।
"চাকরির মিথ্যা লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশসহ ওইসব দেশের অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল নাগরিকদের রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগের নামে পাচার করা হয়েছে। রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর প্রতারণার শিকার এই পুরুষদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হতো এবং রুশ ভাষায় লেখা সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাশিয়া, ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন, ভুক্তভোগী নাগরিক, দালাল চক্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯টি দেশের নাগরিক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!