📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতিসংঘের তদন্তে উন্মোচিত: ২৯ দেশের নাগরিকদের জোর করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো, বাংলাদেশও তালিকায়

জাতিসংঘের তদন্তে উন্মোচিত: ২৯ দেশের নাগরিকদের জোর করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো, বাংলাদেশও তালিকায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশন রাশিয়ার বাহিনীতে জোর করে নিয়োগের প্রমাণ পেয়েছে ২৯টি দেশের নাগরিকদের। বাংলাদেশসহ এই তালিকায় রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও আরও ২৭টি দেশ। বাংলাদেশিদের ব্যবসায়িক ভিসার অনুলিপি পাওয়ার পাশাপাশি, ৩০ জনের একটি দলের ১৭ জন নিহত, ৫ জন নিখোঁজ ও ১ জন আহত হয়ে ফিরেছেন

জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন রাশিয়ার বাহিনীতে জোর করে নিয়োগের প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশসহ ২৯টি দেশের নাগরিকদের। ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর জন্য মানব পাচারের অভিযোগ উঠেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের (ওএইচসিএইচআর) দপ্তর ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত একটি খসড়া প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতিসংঘের তদন্তে রাশিয়া ২৯টি দেশের নাগরিকদের জোর করে বাহিনীতে নিয়োগের প্রমাণ পেয়েছে, বাংলাদেশসহ তালিকায় রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, আজারবাইজান, বেলারুশ, বলিভিয়া, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, ক্যামেরুন, কলম্বিয়া, ডোমিনিকান রিপাবলিক, এল সালভাদর, ঘানা, হন্ডুরাস, জর্ডান, কেনিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, পেরু, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সোমালিয়া, তাজিকিস্তান, তিউনিসিয়া, তুরস্ক, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন ও জিম্বাবুয়ে
  • 📌 বাংলাদেশিদের ব্যবসায়িক ভিসার অনুলিপি পেয়েছে জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন, যাতে রাশিয়ার একটি বেসামরিক কোম্পানির আমন্ত্রণ উল্লেখ রয়েছে
  • 📌 ৩০ জনের একটি দলের মধ্যে ১৭ জন নিহত, ৫ জন নিখোঁজ ও ১ জন আহত হয়ে ফিরেছেন, তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ
  • 📌 রাশিয়ার দূতাবাসের বক্তব্য জানতে না পেরে প্রতিবেদন প্রকাশের পরও তারা এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে পারেনি

📰 বিস্তারিত

জাতিসংঘের ইউক্রেনবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন ৪৮টি দেশের নাগরিকদের রাশিয়ার বাহিনীতে নিয়োগের তথ্য খতিয়ে দেখে ২৯টি দেশের ক্ষেত্রে প্রতারণা বা জবরদস্তির প্রমাণ পেয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দেশের নিয়োগ এজেন্ট বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব মানুষকে তাদের সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ করেছে। ভুক্তভোগীরা সবাই পুরুষ এবং তাদের বয়স ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। তারা বেশিরভাগই আর্থিকভাবে দুর্বল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর। এসব ব্যক্তির অনেককে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে নিহত, আহত, বন্দী বা নিখোঁজদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের প্রধান এরিক মোসে বলেছেন, রাশিয়া বিশ্বজুড়ে সক্রিয় এজেন্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে রুশ সশস্ত্র বাহিনীতে ভর্তি করতে এবং ইউক্রেনের সম্মুখযুদ্ধে পাঠাতে ২৯টি দেশের নাগরিকদের পাচার করেছে। প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে তাদের রাশিয়ায় যেতে আকৃষ্ট করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩০ জনের একটি দলের নিশ্চয়তাপত্রে বলা হয়েছিল, তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হবে না। তবে প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত ওই দলের ১৭ জন সামনের সারিতে নিহত, ৫ জন নিখোঁজ এবং ১ জন আহত হয়ে ফিরেছেন। তবে প্রতিবেদনে ওই দলের কর্মীদের দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেছেন, রাশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। নিয়োগপত্র এখন অনেক বেশি যাচাই-বাছাই করে দেখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেসব রিক্রুটিং এজেন্সি জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

"তদন্তে কমিশন দেখেছে রাশিয়া বিশ্বজুড়ে সক্রিয় এজেন্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে রুশ সশস্ত্র বাহিনীতে ভর্তি করতে এবং ইউক্রেনের সম্মুখযুদ্ধে পাঠাতে ২৯টি দেশের নাগরিকদের পাচার করেছে। পাচারের শিকার ব্যক্তিদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নিয়ে এবং মিথ্যা কর্মসংস্থানের কথা বলে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে তাঁদের রাশিয়ায় যেতে আকৃষ্ট করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (বাংলাদেশ), মস্কো (রাশিয়া), জাতিসংঘের সদর দপ্তর (জিনেভা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এরিক মোসে (জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের প্রধান), আরিফুল হক চৌধুরী (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯টি দেশ, ৪৮টি দেশের তথ্য খতিয়ে দেখা, ৩০ জনের দল, ১৭ জন নিহত, ৫ জন নিখোঁজ, ১ জন আহত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖