📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাজ্য ঘোষণা: ইসরায়েলের পশ্চিমতীরে ‘জাতিগত নিধন’ ও অবৈধ বসতির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা, ১২ দেশের সাথে একাত্মতা

যুক্তরাজ্য ঘোষণা: ইসরায়েলের পশ্চিমতীরে ‘জাতিগত নিধন’ ও অবৈধ বসতির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা, ১২ দেশের সাথে একাত্মতা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি বসতির ‘জাতিগত নিধন’ অভিযোগ করে ঘোষণা দেন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের। ১২টি দেশের সাথে একাত্মতা পেয়ে তিনি ইসরায়েলের পুরো দখলদারত্বকে অবৈধ ঘোষণা করেন। ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার জেরুজালেমের ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের প্রতিবাদ জানান

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি বসতির ‘জাতিগত নিধন’ অভিযোগ করে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তীব্র বক্তব্য রাখেন। তিনি ঘোষণা দেন, যুক্তরাজ্য পশ্চিমতীরের ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে এবং ইসরায়েলের পুরো দখলদারত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করবে। এতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার, যিনি ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের ঘোষণা দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাজ্য পশ্চিমতীরের ইসরায়েলি বসতিগুলোকে ‘জাতিগত নিধনের’ কেন্দ্র হিসেবে অভিহিত করে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন।
  • 📌 এড মিলিব্যান্ড ঘোষণা করেন, ইসরায়েলের পুরো দখলদারত্বকে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করবে যুক্তরাজ্য — এটিই প্রথমবারের মতো এই ধরনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
  • 📌 ১২টি দেশের (কানাডা, ফ্রান্স, নরওয়ে, সুইডেন, পোল্যান্ড, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেন) সাথে যুক্তরাজ্য একাত্মতা পেয়ে বসতির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • 📌 ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার মিলিব্যান্ডের বক্তব্যকে ‘নির্লজ্জ মিথ্যা’ আখ্যা দিয়ে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের প্রতিবাদ জানান।
  • 📌 মিলিব্যান্ড জানান, ইসরায়েলের ‘ই-১’ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমতীরের উত্তর-দক্ষিণ অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে, যা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভবিষ্যতকে হুমকিতে ফেলবে।
  • 📌 যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ৩০টি অস্ত্র লাইসেন্স স্থগিত করেছে এবং নতুন লাইসেন্সও দেওয়া হবে না।
  • 📌 মিলিব্যান্ড বলেন, গাজায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করা হবে না — আন্তর্জাতিক আদালতের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।
  • 📌 তিনি নিজেকে ‘গর্বিত ব্রিটিশ ইহুদি’ উল্লেখ করে বলেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তা এবং ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় অধিকার উভয়ই সমর্থন করেন।

📰 বিস্তারিত

মিলিব্যান্ডের বক্তব্যে বলা হয়, পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ফিলিস্তিনিদের ‘জাতিগত নিধন’ চলছে। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল সরকার এতে নীরব সমর্থন দিচ্ছে এবং সরকারের কিছু সদস্য ফিলিস্তিনিদের জোর করে উচ্ছেদে সমর্থনমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তিনি জানান, যুক্তরাজ্য ইসরায়েলি বসতিগুলোকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল, কিন্তু এখন পুরো দখলদারত্বকে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করবে।

মিলিব্যান্ডের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার বলেন, ব্রিটিশ সরকার পরিকল্পিতভাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তিনি জেরুজালেমের ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের ঘোষণা দেন। মিলিব্যান্ডের বক্তব্য পশ্চিমতীরের ইসরায়েলি বসতির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তে ১১টি দেশের (কানাডা, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেন ও সুইডেন) সাথে যুক্তরাজ্যের একাত্মতা পেয়েছে।

মিলিব্যান্ড জানান, অবৈধ বসতি স্থাপনে অর্থায়ন বা সহায়তা করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানও ব্রিটিশ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবেন। তিনি বলেন, এ-সংক্রান্ত আইন আগামী ৯ মাসের মধ্যে কার্যকর করা হবে। তিনি ইসরায়েলের ‘ই-১’ প্রকল্পের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন, যা পশ্চিমতীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে।

মিলিব্যান্ড আরও জানান, যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ৩০টি অস্ত্র লাইসেন্স স্থগিত করেছে। তিনি ঘোষণা দেন, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যবহারের জন্য নতুন অস্ত্র লাইসেন্স দেওয়া হবে না। তবে তিনি গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেননি। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।

মিলিব্যান্ড নিজেকে ‘গর্বিত ব্রিটিশ ইহুদি’ হিসেবে পরিচয় দেন এবং বলেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তা এবং ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় অধিকার উভয়ই সমর্থন করেন। তিনি বলেন, উভয় জনগোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই স্থায়ী নিরাপত্তার একমাত্র পথ।

"পশ্চিমতীরের বিভিন্ন এলাকায় বসতি স্থাপনকারী ‘সন্ত্রাসীরা’ ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নিধন চালাচ্ছে। ইসরায়েল সরকার অনেক ক্ষেত্রে এতে চোখ বন্ধ করে রেখেছে এবং সরকারের কিছু সদস্য ফিলিস্তিনিদের জোর করে উচ্ছেদে সমর্থনমূলক বক্তব্য ও পদক্ষেপ নিয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট, জেরুজালেম, পশ্চিমতীর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এড মিলিব্যান্ড (যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী), গিদিয়ন সার (ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ সেপ্টেম্বর, ১২টি দেশ, ৩০টি অস্ত্র লাইসেন্স, ৯ মাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖