📌 যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের 'অর্থনৈতিক ডি-ডে' ঘোষণা ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি তুলে ধরলেও, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতির ফলে বিশ্বের মিত্ররা পিছিয়ে পড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যবস্থায় প্রভাব হ্রাস পাচ্ছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হতে পারছেনা ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর হুমকি তুলে ধরলেও, বাস্তবে ফল হচ্ছে উল্টো। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা কেন এই যুদ্ধে যোগ দিতে চাইছে না, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যবস্থার অবসানকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে দিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর হুমকি তুলে ধরলেও, মিত্ররা যুদ্ধে যোগ দিতে অনিচ্ছুক
- 📌 ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যবস্থায় প্রভাব হ্রাস পাচ্ছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হতে পারছেনা
- 📌 ট্রাম্পের মিথ্যা বক্তব্য এবং বিশ্বাসযোগ্যতার অভাবের কারণে মিত্ররা যুদ্ধে অংশ নিতে রাজি নন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব মোট দেশজ উৎপাদনে অংশ ২০২৫ সালে ৩০ শতাংশ থেকে কমে ১৫ শতাংশের নিচে নেমেছে
- 📌 ইরানের রপ্তানি করা তেলের ৯০ শতাংশই কেনে চীন, যা ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জাগিয়ে তুলেছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি তুলে ধরলেও, বাস্তবে ফল হচ্ছে উল্টো। যুক্তরাষ্ট্রের কথিত মিত্ররা কেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ব্যয়বহুল ও ভুল পথে নেওয়া যুদ্ধে যোগ দিতে চাইছে না, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই যুদ্ধের আগে তাদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি। এখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সরকারকে উৎখাত করতে পারেনি, এমনকি বিকল্প পরিকল্পনাও তৈরি করতে পারেনি। ফলে মিত্ররা কেন এই যুদ্ধে জড়াবে?
অর্থনৈতিক ডি-ডে হিসেবে পরিচিত এই নীতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে আরও শক্তভাবে চাপে ফেলতে চাইছে। কিন্তু বাস্তবে ফল হচ্ছে উল্টো। ট্রাম্প প্রশাসনের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত আমেরিকাকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার অবসানকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে দিচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন নিয়মিত বন্ধু ও অংশীদারদের অপমান করে। গ্রিনল্যান্ড ও কানাডার মতো ভূখণ্ড দখলের হুমকি দেয় এবং বিভিন্ন দেশের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করে।
অন্তর্জাতিক শান্তির জন্য কার্নেগি এনডাওমেন্টের অ্যারন ডেভিড মিলার বলেছেন, এখানে ‘ডি-ডে’ আসলে ‘হতাশার দিন’। কাউকে বোঝাতে হলে বিশ্বাসযোগ্যতা দরকার। কিন্তু ট্রাম্পের মিথ্যা বক্তব্যের কারণে তাঁর কথায় কেউ সহজে বিশ্বাস করে না। ২০২৫ সালের জুনে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু যুদ্ধের সময়কাল বাড়ার সাথে সাথে তাঁর দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা কমে গেছে।
বেসেন্টকে ট্রাম্প প্রশাসনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য মন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বন্ড ও মুদ্রাবাজার সামাল দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টায় তিনি সেই বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছেন। ট্রাম্পের আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তারা বুঝতে পারছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র আর আগের মতো সহজে অন্য দেশকে নিজের ইচ্ছেমতো চালাতে পারে না।
"এখানে ‘ডি-ডে’ আসলে ‘হতাশার দিন’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, কানাডা, চীন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, অ্যারন ডেভিড মিলার, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শতাংশ (২০২৫ সালের বিশ্ব মোট দেশজ উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ), ১৫ শতাংশের নিচে (বর্তমান বিশ্ব মোট দেশজ উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ), ৯০ শতাংশ (ইরানের রপ্তানি তেলের চীন কেনার হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!