📌 ইকুয়েডর সরকার বলেছে, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ড্রাগ ট্রাফিকিংয়ের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযানটি লস চোনেরোস গ্যাং-এর সাথে যুক্ত বলে দাবি করা হয়
ইকুয়েডর ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ড্রাগ ট্রাফিকিংয়ের বিরুদ্ধে তিনটি জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইকুয়েডরের সরকার এই সপ্তাহে এই অভিযানের প্রতিবেদন দিয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই কার্যক্রম ইকুয়েডর ও ওয়াশিংটনের যৌথ তদন্তের অংশ। ইকুয়েডরের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই জাহাজগুলো ছিল উচ্চগতির বোটগুলোর জন্য তেল সরবরাহকারী কেন্দ্র, যা ড্রাগস মেক্সিকো ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইকুয়েডর ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ তদন্তে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে তিনটি জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা ড্রাগ ট্রাফিকিংয়ের সাথে যুক্ত বলে দাবি করা হয়।
- 📌 ইকুয়েডরের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী জন রেইমবার্গ বলেছেন, “এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে করা কাজ”।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজগুলো ছিল অবৈধ সমুদ্রে ড্রাগ ট্রাফিকিংয়ের জন্য তেল সরবরাহকারী কেন্দ্র, যা লস চোনেরোস গ্যাং-এর সাথে যুক্ত।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জাহাজ থেকে বের করা ব্যক্তিদের ইকুয়েডরীয় কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে এবং পরীক্ষা শেষে জাহাজটিকে ডুবিয়ে দেয়।
- 📌 ইকুয়েডরীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, দুটি জাহাজ থেকে মোট ২৮ জন ক্রু সদস্যকে মান্তা বন্দরে নিয়ে আসা হয়েছে।
- 📌 ড্রাগ ট্রাফিকিং বিরোধী অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের এই কার্যক্রম লাতিন আমেরিকায় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে বিমান হামলা ও আন্তর্জাতিক জলে লেথাল ফোর্সের ব্যবহার নিয়ে।
📰 বিস্তারিত
ইকুয়েডরের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী জন রেইমবার্গ টেলামাজোনাস চ্যানেলকে বলেছেন, এই জাহাজগুলো ছিল ড্রাগস পরিবহনের জন্য উচ্চগতির বোটগুলোর জন্য তেল সরবরাহকারী কেন্দ্র। তিনি বলেছেন, “এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে করা কাজ।” যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ কমান্ড (SOUTHCOM) এই দাবিকে সমর্থন করে বলেছে, তারা একটি জাহাজকে বন্দী করেছে, যা অবৈধ সমুদ্রে ড্রাগ ট্রাফিকিংয়ের জন্য তেল সরবরাহ করত। এই জাহাজটি লস চোনেরোস গ্যাং-এর সাথে যুক্ত বলে দাবি করা হয়েছে।
SOUTHCOM-এর এক ভিডিওতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি জাহাজের দিকে অগ্রসর হয় এবং বোর্ডিং করার পর জাহাজটিকে সমুদ্রে বিস্ফোরণ করে ডুবিয়ে দেয়। তবে এই ভিডিওটির সময় ও স্থান স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা হয়নি। জাহাজ থেকে বের করা ব্যক্তিদের ইকুয়েডরীয় কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরীক্ষা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী জাহাজটিকে ডুবিয়ে দেয়।
কিছু ক্রু সদস্যের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে অভিযোগ করেছে যে তারা কোনো প্রমাণ ছাড়াই কাজ করেছে। একজন ক্রু সদস্যের স্ত্রী রয়টার্সকে বলেছেন, তাদের পরিবারের লোকেরা মাছ ধরার কাজ করছিল, যখন যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী তাদের জাহাজে বোর্ডিং করেছিল এবং কোনো ড্রাগস পাওয়া যায়নি। তবে এই বিবরণ স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা হয়নি।
ইকুয়েডরীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, তারা দুটি জাহাজ থেকে মোট ২৮ জন ক্রু সদস্যকে মান্তা বন্দরে নিয়ে আসা হয়েছে, যেখানে তারা তাদের পরিবারের সাথে মিলিত হয়েছে। ইকুয়েডরীয় নৌবাহিনীর এই পদক্ষেপের ফলে বন্দরে পরিবাররা তাদের আত্মীয়দের খোঁজার জন্য অপেক্ষা করছিল।
এই ঘটনাগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের ড্রাগ ট্রাফিকিং বিরোধী অভিযানের অংশ, যা লাতিন আমেরিকায় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বিমান হামলা ও আন্তর্জাতিক জলে লেথাল ফোর্সের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। দক্ষিণ কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের ২৩ তারিখে একটি “নিম্ন-প্রোফাইল” জাহাজে হামলায় দুইজন নিহত হয়। আর দুই দিন পর আরেকটি হামলায় চারজন নিহত হয়। তবে এই দুটি হামলায় কোনো শিকারের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
"এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে করা কাজ"
"সফলভাবে একটি জাহাজ বন্দী করা হয়েছে, যা অবৈধ সমুদ্রে ড্রাগ ট্রাফিকিংয়ের জন্য তেল সরবরাহ করত"
"জাহাজ থেকে বের করা ব্যক্তিদের ইকুয়েডরীয় কর্তৃপক্ষকে নিরাপদে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে, মার্কিন বাহিনী জাহাজটিকে ডুবিয়ে দেয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর, ইকুয়েডর (মান্তা বন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইকুয়েডরের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী জন রেইমবার্গ, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ কমান্ড (SOUTHCOM)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি জাহাজ ডুবানো, ২৮ জন ক্রু সদস্য মান্তা বন্দরে নিয়ে আসা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!