📌 কলকাতায় চিকিৎসা নিতে আসা বাংলাদেশি রোগীরা আবাসন সংকটের কারণে ফুটপাতে রাত কাটাচ্ছেন। হোটেল নিষিদ্ধ ও নিরাপত্তা বিধিমালা লঙ্ঘনের কারণে ৭০০টিরও বেশি হোটেল বন্ধ হয়ে গেছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৪৪টি অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে ৩৫-৩৭% বেশি খরচ পড়বে বলে জানা গেছে
কলকাতার ফুটপাতে রাত কাটাচ্ছেন চিকিৎসা নিতে আসা বাংলাদেশি রোগীরা। নিরাপত্তা বিধিমালা লঙ্ঘনের কারণে হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে আবাসন সংকট তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে ক্যানসার রোগীদের জন্য হাসপাতালের নিকটবর্তী থাকা জরুরি, কিন্তু হোটেলে থাকার সুযোগ না থাকায় তারা রাস্তায় ঘুমাচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতার ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ও ঠাকুরপুকুর ক্যানসার রিসার্চ সেন্টারের আশপাশে বাংলাদেশি রোগী ও তাদের স্বজনদের ভিড় লেগেছে। বৃষ্টির মধ্যেও লাগেজ নিয়ে রাস্তায় ঘুমাচ্ছেন তারা।
- 📌 কেমোথেরাপি নিচ্ছেন এমন ক্যানসার রোগীদের দীর্ঘ পথ যাতায়াত করা সম্ভব নয়। কিন্তু হোটেলে থাকার সুযোগ না থাকায় রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
- 📌 স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৪৩৩টি উপজেলার মধ্যে ৩৪৪টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে।
- 📌 অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞের ঘাটতি, সার্জন ও গাইনি বিশেষজ্ঞের অভাব, ওটি সহকারী ও কারিগরি জনবলের সংকট এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রীর অভাবের কারণে অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে।
- 📌 তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে চীনা কোম্পানিকে ৩৫-৩৭ শতাংশ বেশি অর্থ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
- 📌 মালয়েশিয়া থেকে কর্মী পাঠানোর জন্য বাছাইকৃত এজেন্সিগুলোর মধ্যে মানবপাচারে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
কলকাতার নিরাপত্তা বিধিমালা লঙ্ঘনের কারণে কর্তৃপক্ষ ৭০০টিরও বেশি হোটেল ও গেস্টহাউসের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে নতুন অতিথি নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই কারণে সেখানে আবাসন সংকট তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য সুলভে থাকার জায়গা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছেন না। ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ও ঠাকুরপুকুর ক্যানসার রিসার্চ সেন্টারের আশপাশে গত কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশ থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগীর স্বজন জানান, কেমোথেরাপি নিচ্ছেন এমন ক্যানসার রোগীদের হাসপাতালের কাছাকাছি থাকা জরুরি। তিনি বলেন, 'ক্যানসার অত্যন্ত গুরুতর রোগগুলোর একটি। কেমোথেরাপি নেওয়া রোগীদের দীর্ঘ পথ যাতায়াত করা সম্ভব নয়। কিন্তু হোটেলে থাকার সুযোগ না থাকায় আমরা চরম দুর্ভোগে পড়েছি।'
মেডিকেল ভিসায় কলকাতায় আসা আরেক বাংলাদেশি বলেন, তিনি আবাসন সংকটের বিষয়ে আগে থেকে জানতেন না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট ৪৩৩টি উপজেলার মধ্যে ৩৪৪টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞের ঘাটতি, সার্জন ও গাইনি বিশেষজ্ঞের অভাব, ওটি সহকারী ও কারিগরি জনবলের সংকট এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রীর অভাবের কারণে অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে।
এছাড়াও, তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে চীনা কোম্পানিকে ৩৫-৩৭ শতাংশ বেশি অর্থ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। গত ১৯ জুন, চীনা কোম্পানি 'চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি' মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি অফশোর এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব জমা দেয়। ১৫ বছর মেয়াদী চুক্তির আওতায় কোম্পানিটি দৈনিক তিন লাখ ৪২ হাজার ডলার অর্থ চেয়েছে।
"ক্যানসার অত্যন্ত গুরুতর রোগগুলোর একটি। কেমোথেরাপি নেওয়া রোগীদের দীর্ঘ পথ যাতায়াত করা সম্ভব নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা (ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, ঠাকুরপুকুর ক্যানসার রিসার্চ সেন্টার), মহেশখালী (কুতুবজোম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশি রোগী ও তাদের স্বজন, চীনা কোম্পানি 'চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি'
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০০+ হোটেল নিষিদ্ধ, ৩৪৪টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রোপচার বন্ধ, ৩৫-৩৭% বেশি খরচ তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!