📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইসরাইলের প্রতি বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের চুক্তি হয়েছে। তবে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে তিনি এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন, যা ইসরাইলের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে একটি বড় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, ইসরাইলের প্রতি বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের চুক্তি হয়েছে। এই অর্থ বন্ধের প্রক্রিয়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ শুরু হবে। তবে ইসরাইলের প্রয়োজনে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত থাকবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে মধ্যবর্তী নির্বাচনের সময় তিনি এই ঘোষণা দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইসরাইলের প্রতি বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের চুক্তি হয়েছে।
- 📌 এই অর্থ বন্ধের প্রক্রিয়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ শুরু হবে, তবে ইসরাইলের প্রয়োজনে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত থাকবে।
- 📌 ট্রাম্প বলেন, ইসরাইলের আর এই অর্থের প্রয়োজন নেই এবং বামপন্থি রাজনীতিকদের সমালোচনার মুখে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।
- 📌 ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে ট্রাম্পের এই সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রয়েছে।
- 📌 নির্বাচনে নেতানিয়াহু সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর নতুন সরকার গঠনের আলোচনা চলছে।
- 📌 ২০২৩ সালের গাজা যুদ্ধের পর থেকে ইসরাইলের প্রতি মার্কিন জনসমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে।
- 📌 কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে দেখা যায়, ৬৬ শতাংশ ডেমোক্র্যাট মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে অতিরিক্ত সহায়তা দিচ্ছে।
- 📌 ট্রাম্পের বক্তব্যে উল্লেখযোগ্য হলো, তিনি ইসরাইলের সমালোচক ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের নাম উল্লেখ করে বলেছেন, ইসরাইলের অর্থায়ন বন্ধের কারণে তাদের আক্রমণের শিকার হতে হবে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা ইসরাইলের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য একটি বড় পরিবর্তন আনে। তিনি বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে তিনি একটি চুক্তি করেছেন, যার মাধ্যমে ইসরাইলের প্রতি বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেননি যে কোন তহবিল বন্ধ করা হবে এবং বন্ধের প্রক্রিয়া কীভাবে চলবে।
ট্রাম্পের বক্তব্য ছিল ফক্স নিউজের অনুষ্ঠান ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-এ। তিনি বলেন, ইসরাইলের আর এই অর্থের প্রয়োজন নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কিছু ডেমোক্র্যাট ও বামপন্থি রাজনীতিক ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তার বিষয়টি ব্যবহার করে তার রিপাবলিকান সহকর্মীদের সমালোচনা করছেন। তিনি বলেন, ‘এখন ইসরাইলকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে বলি, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও আমি একটি চুক্তি করেছি যে আমরা ইসরাইলকে বছরে ৪ বিলিয়ন ডলার দিই, এবং কয়েক মাস আগে আমরা চুক্তি করেছি যে এটি বন্ধ করছি।’
২০২৩ সালের গাজা যুদ্ধের পর থেকে ইসরাইলের প্রতি মার্কিন জনসমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এই সমর্থন কমে গেছে। কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে দেখা যায়, ৪৮ শতাংশ মার্কিন ভোটার এবং ৬৬ শতাংশ ডেমোক্র্যাট মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে অতিরিক্ত সহায়তা দিচ্ছে। জরিপে আরও দেখা যায়, ২০১৭ সালে এই প্রশ্ন করা হলে এ হার ছিল যথাক্রমে ১৬ ও ২০ শতাংশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে মধ্যবর্তী নির্বাচনের সময় ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন। নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকানদের ঘনিষ্ঠ মিত্র নেতানিয়াহু সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও বিরোধীদের তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার সুস্পষ্ট পথ তৈরি করতে দেননি। ফলে নতুন সরকার গঠনের আলোচনা দীর্ঘ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
"এখন ইসরাইলকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে বলি, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও আমি একটি চুক্তি করেছি যে আমরা ইসরাইলকে বছরে ৪ বিলিয়ন ডলার দিই, এবং কয়েক মাস আগে আমরা চুক্তি করেছি যে এটি বন্ধ করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ওয়াশিংটন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, আবদুল এল-সায়েদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ বিলিয়ন ডলার, ৩ নভেম্বর, ৬৬ শতাংশ, ৪৮ শতাংশ, ২০২৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!