📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলার কারণে তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিরোধে এই মূল্যবৃদ্ধি গ্রহণযোগ্য
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইরানে সামরিক অভিযানের ফলে তেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও তিনি কখনোই এর জন্য ক্ষমা চাইবেন না। নিউইয়র্কে এক জনসভায় তিনি বলেন, সাধারণ জনগণকে সামান্য বেশি মূল্য দিতে হলেও তা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ থেকে বিরত রাখতে সহায়ক হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার কারণে তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন
- 📌 ট্রাম্পের মতে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে বিরত রাখতে তেলের দাম বৃদ্ধি গ্রহণযোগ্য
- 📌 নিউইয়র্কে এক জনসভায় ট্রাম্প বলেন, সাধারণ জনগণকে সামান্য বেশি মূল্য দিতে হলেও তা ন্যায়সঙ্গত
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন তেলের দাম বর্তমানে ৪ ডলার, যা এক বছর আগে ছিল প্রায় ৩ ডলার
- 📌 সিএনএন-এর জরিপে দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন এই যুদ্ধের ফলে মানুষের জীবন ও অর্থের ক্ষতি হয়েছে অপ্রয়োজনীয়
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযানের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ থেকে বিরত রাখতে এই মূল্যবৃদ্ধি গ্রহণযোগ্য। নিউইয়র্কে এক জনসভায় তিনি বলেন, সাধারণ জনগণকে সামান্য বেশি মূল্য দিতে হলেও তা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে বিরত রাখতে সহায়ক হবে। ট্রাম্প বলেন, সাধারণ মানুষকে এখন প্রতি গ্যালন তেলের জন্য ৪ ডলার খরচ করতে হচ্ছে, যা তিনি মনে করেন গ্রহণযোগ্য।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট জানান, তেলের দাম কম রাখা এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে দূরে রাখা—দুটোই প্রেসিডেন্টের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন জ্বালানি তেলের গড় দাম ৪ ডলার পার হয়েছে, যা এক বছর আগেও ৩ ডলারের কাছাকাছি ছিল।
তবে সাধারণ আমেরিকানরা এই মূল্যবৃদ্ধিকে মোটেও সামান্য মনে করছেন না। সিএনএন-এর একটি জরিপে দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, এই যুদ্ধের ফলে মানুষের জীবন ও অর্থের যে বিপুল ক্ষতি হয়েছে, তার কোনো সার্থকতা নেই।
"আপনাদেরকে তেলের জন্য সামান্য কিছু টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনারা এটি করছেন যাতে একটি অত্যন্ত খারাপ দেশ পারমাণবিক অস্ত্র হাতে না পায়। ইরান হচ্ছে বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় মদদদাতা দেশ। তেলের দাম বাড়ার কারণে সাধারণ মানুষের যে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, সেটিকে খুব একটা বড় করে দেখছেন না তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ শতাংশ, ৪ ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!