📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরান-সংক্রান্ত ১ হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ করেছে। চীনের স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা রয়েছে ওয়াশিংটনের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন। গত শুক্রবার তিনি জানান, তেহরানের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যা পূর্বে দেখা যায়নি। এর আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরান-সংক্রান্ত ১ হাজার ব্যক্তি, জাহাজ ও উড়োজাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে
- 📌 ইরান-সংক্রান্ত আনুমানিক ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ করা হয়েছে
- 📌 চীনের স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা রয়েছে ওয়াশিংটনের
- 📌 ইরানের তেল রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি চীনে যায় বলে জানিয়েছে কেপলার
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন। গত শুক্রবার তিনি জানান, তেহরানের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যা পূর্বে দেখা যায়নি। এর আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি জানান, আগামী সপ্তাহেই তেহরানের বিরুদ্ধে এমন কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশটির ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সম্পদ জব্দের মতো পদক্ষেপ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর সামুদ্রিক, জ্বালানি ও আর্থিকখাতে আরও কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি শুরু করেছে নৌ অবরোধ।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ফরেন অ্যাসেট কন্ট্রোল অফিসের (ওএফএসি) তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইরান-সংক্রান্ত ১ হাজারের বেশি ব্যক্তি, জাহাজ ও উড়োজাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য ছিল ইরানের ছায়া তেলবহর, জাহাজের বিমাকারী প্রতিষ্ঠান, অস্ত্র সংগ্রহে সহায়তাকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং ডিজিটাল এক্সচেঞ্জ।
এর ফলে ইরান-সংক্রান্ত আনুমানিক ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সিও জব্দ করা হয়েছে। চীনের স্বাধীন ছোট তেল শোধনাগারগুলোকে ‘টিপট’ বলা হয়। দেশটির মোট শোধন সক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ এসব প্রতিষ্ঠানের হাতে। এগুলো খুব কম মুনাফায়, এমনকি কখনো কখনো লোকসানেও পরিচালিত হয়। শিপিং তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রপথে রপ্তানি করা ইরানের ৮০ শতাংশের বেশি তেল কেনে চীন।
এই বাণিজ্যের বড় অংশই স্বাধীন শোধনাগারগুলোকে কেন্দ্র করে। ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর ‘সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা’ দিতে পারে ওয়াশিংটন। এ ধরনের নিষেধাজ্ঞায় মূল নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত দেশের পাশাপাশি ওই দেশকে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানকেও শাস্তি দেওয়া হয়।
"ইরানের তেল পরিবহনকারী, ক্রেতা ও মুদ্রা বিনিময়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।"
ইরানের অর্থ তাদের মাধ্যমে লেনদেন হলে এসব ব্যাংকও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে। তবে এখন পর্যন্ত ব্যাংক দুটির নাম প্রকাশ করা হয়নি এবং তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় চীনা ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও ইরানের সঙ্গে লেনদেন নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হতে পারে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্কট বেসেন্ট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার, ৫০০ বিলিয়ন ডলার, ৮০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!