📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারি নির্দেশনায় বিদেশি সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সাইবার অভিযানে অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়েছেন। নতুন এ নির্দেশনায় আন্তঃদেশীয় অপরাধী সংগঠনের বিরুদ্ধে সীমিত সাইবার কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার একটি প্রশাসনিক স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন, যার মাধ্যমে দেশটির বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নির্দেশনায় বিদেশি সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই স্মারকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণে সাইবার কার্যক্রম পরিচালনায় বেসরকারি খাতের সক্ষমতা ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদেশি সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সরকারি নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনার অনুমতি দিয়েছেন
- 📌 নতুন স্মারকে বলা হয়েছে, অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলোকে কমপক্ষে ১০ লাখ ডলারের বন্ড জমা রাখতে হবে
- 📌 আন্তঃদেশীয় অপরাধী সংগঠনের বিরুদ্ধে সাইবার প্রভাব বিস্তারকারী কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযান পরিচালনার কথা বলা হয়েছে, ইচ্ছেমতো হ্যাকিংয়ের সুযোগ নয়
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার একটি প্রেসিডেনশিয়াল মেমোরেন্ডামে স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে দেশটির বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নির্দেশনায় বিদেশি সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই স্মারকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণে সাইবার কার্যক্রম পরিচালনায় বেসরকারি খাতের সক্ষমতা ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে অনলাইনে অপরাধ দমনে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবে।
তবে এই স্মারক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইচ্ছেমতো হ্যাকিং চালানোর সীমাহীন ক্ষমতা দেয়নি। বরং এতে বলা হয়েছে, অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্দেশনায় সীমিত সাইবার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এর মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় অপরাধী সংগঠনের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযান পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
স্মারকে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলোকে কমপক্ষে ১০ লাখ ডলারের বন্ড বা জামানত জমা রাখতে হবে। এই কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) এবং বিচার বিভাগ তদারকি করবে। কেন্দ্রীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে অনুমোদন পাওয়া অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে সাইবার নজরদারি ও প্রভাব বিস্তারকারী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
"স্মারকে বলা হয়েছে, ‘সাইবার প্রভাব বিস্তারকারী কার্যক্রমের মধ্যে তথ্যব্যবস্থা, নেটওয়ার্ক, তথ্যব্যবস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ভৌত বা ভার্চ্যুয়াল অবকাঠামো কিংবা সেখানে থাকা তথ্যের সম্ভাব্য পরিবর্তন, ব্যাহত করা, প্রবেশাধিকার বন্ধ করা, কার্যকারিতা কমানো বা ধ্বংস করার মতো কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!