📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন অঞ্চল’ ঘোষণা করেছেন। ইরান এই দাবিকে ‘পাগলের প্রলাপ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয় এই প্রণালি দিয়ে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারস্য উপসাগরের সঙ্গে আরব সাগরের সংযোগকারী হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এই প্রণালিকে মার্কিন সম্পত্তি হিসেবে দাবি করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের মোট তেলের শতকরা ২০ ভাগ যে পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেই প্রণালিটি ইরান ও ওমানের সীমান্তঘেঁষা আঞ্চলিক সাগরে অবস্থিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন অঞ্চল’ ঘোষণা করেছেন
- 📌 বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয় এই প্রণালি দিয়ে
- 📌 ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ট্রাম্পের দাবিকে ‘পাগলের প্রলাপ’ বলে অভিহিত করেছেন
- 📌 ট্রাম্প দাবি করেছেন, অবরোধের মাধ্যমে প্রণালিটি ইতিমধ্যেই মার্কিন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ট্রাম্প তাঁর নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত এক পোস্টে হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। গত শুক্রবারে এক প্রচারণাসভায় তিনি প্রথম এই ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করেন। উপস্থিত জনতার সামনে তিনি দাবি করেছিলেন, খুব শিগগিরই তিনি এই জলপথকে মার্কিন সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করবেন। এরপর গত সোমবারে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি জানান, এই পরিকল্পনা তাঁর বেশ পছন্দ হয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই প্রণালিটি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘অবরোধের মাধ্যমে পুরো জলপথটি এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। এটাকে নিজের বলে ঘোষণা করার ধারণাটা আমার বেশ পছন্দ।’ ইরানকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘তারা ঝামেলার কারণ হতে পারে। পানিতে তারা মাইন পুঁতে রাখতে পারে, আর কোটি টাকার জাহাজে কেউ নিশ্চয়ই মাইনের আঘাত পেতে চাইবে না।’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ‘এই প্রণালি থেকে আমরা সপ্তাহে লাখ লাখ ব্যারেল তেল তুলে নিচ্ছি। বাজারে তেলের দাম তো কমছেই, আর তা আরও নামবে—যদি না আমরা এর চেয়ে কোনো বড় বা কঠোর পদক্ষেপে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।’
"প্রণালিটি সবসময় ইরানের ছিল, এখনও ইরানের আছে এবং সামনেও ইরানেরই থাকবে। এই জলপথ বন্ধ রাখা কিংবা খুলে দেওয়া—সবটাই চলবে কেবল ইরানের ইশারায়। যতদিন আমেরিকা নিজেদের পরাজয়ের তেতো সত্যটা মেনে না নেবে এবং এই ধরনের কাল্পনিক ভাবনায় ডুবে থাকবে, ততদিন ইরানও এই অতি গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিজেদের এই অবরোধ শক্ত হাতে বহাল রাখবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরের সংযোগকারী হরমুজ প্রণালি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!