📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে নিজস্ব শর্তে এগিয়ে যাবে এবং কোনো দেশের দাবি মেনে ‘দাবার বোর্ড’ হিসেবে ব্যবহার করা হবে না। তিনি জ্বালানি সংকট ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেছেন
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো জনগণের স্বার্থ। তিনি মাথা উঁচু করে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা ও সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘নতুন করে লেখা এক বিশ্ব’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলন ৩ থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে জনগণের স্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে এবং দেশটি ‘দাবার বোর্ড’ হিসেবে ব্যবহার করা হবে না
- 📌 উপসাগরীয় যুদ্ধের পর জ্বালানি সংকট ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবস্থান ছিল বাংলাদেশের দুটি প্রধান চ্যালেঞ্জ
- 📌 সরকার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নিজস্ব গ্যাস, এলএনজি ও সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা কাজে লাগাচ্ছে
- 📌 বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে
- 📌 রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ এখন এমন অবস্থানে রয়েছে যেখানে দেশটি বিশ্বমঞ্চে নিজস্ব শর্তে এগিয়ে যেতে চায়। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশকে কোনো দেশের স্বার্থে ‘দাবার বোর্ড’ হিসেবে ব্যবহার করা হবে না। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা, সহযোগিতা ও অংশীদারত্বে প্রস্তুত। তবে পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
উপসাগরীয় যুদ্ধের পর বাংলাদেশের সামনে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছিল। প্রথমত, অপ্রত্যাশিত জ্বালানি সংকট এবং দ্বিতীয়ত, উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাস ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন উৎস ও ক্ষেত্র খুঁজছে। তিনি জানান, দেশে থাকা নিজস্ব গ্যাস ও এলএনজির সম্ভাবনাও কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুতের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানির ক্ষেত্রে দেশের প্রতিটি নাগরিককে আরও স্বনির্ভর করার চেষ্টা চলছে।
রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের এই পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। তবে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ সবসময় রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সহযোগিতাপূর্ণ ও সংবেদনশীল অবস্থান বজায় রেখেছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ তার অংশীদার, বন্ধু, উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
"বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা, সহযোগিতা ও অংশীদারত্বে প্রস্তুত। তবে পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ অক্টোবর (অধিবেশনের তারিখ), ৩ থেকে ৫ অক্টোবর (সম্মেলনের সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!