📌 ইরান বিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা ঢাকতে মিত্রদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে দেওয়ার পেছনে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ খুঁজছেন বলে মন্তব্য করেছেন পুসান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রবার্ট কেলি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান বিরোধী যুদ্ধে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মিত্র দেশগুলোর ওপর দোষ চাপাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার পুসান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক রবার্ট কেলি। আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার সময় সংঘাতটি দ্রুত শেষ হয়ে যাবে বলে ধারণা করেছিলেন। কিন্তু যুদ্ধটি প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘায়িত হয়ে পাল্টাপাল্টি হামলার এক দীর্ঘ সংঘাতে পরিণত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান বিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা ঢাকতে মিত্রদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন ট্রাম্প
- 📌 যুদ্ধটি প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘায়িত হয়ে পাল্টাপাল্টি হামলার এক দীর্ঘ সংঘাতে পরিণত হয়েছে
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প
- 📌 মহড়া কমানোর কারণ হিসেবে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন উচ্চ ব্যয় ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে সম্পর্ক
📰 বিস্তারিত
অধ্যাপক কেলির মতে, ট্রাম্প ইরান বিরোধী যুদ্ধ শুরু করার সময় সংঘাতটি দ্রুত শেষ হয়ে যাবে বলে ধারণা করেছিলেন। কিন্তু যুদ্ধটি প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘায়িত হয়ে পাল্টাপাল্টি হামলার এক দীর্ঘ সংঘাতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি এখন যুক্তরাষ্ট্রের ভাষায় একটি ‘ফরেভার ওয়ার’-এর মতো দেখাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প যুদ্ধের ব্যর্থতার জন্য কাউকে দায়ী করার পথ খুঁজছেন বলে মনে করেন কেলি।
এরই মধ্যে ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মহড়া কমানোর কারণ হিসেবে মহড়ার উচ্চ ব্যয়, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তার ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ এবং ইরান ইস্যুতে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা না করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের মার্কিন প্রচেষ্টায় যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু সিউল তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
তবে ট্রাম্প নিজেই বলেছেন, সামরিক মহড়া কমানোর সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিষয়টি কিছুটা সম্পর্কহীন। অধ্যাপক কেলির ভাষায়, ট্রাম্প মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলে তৈরি হওয়া নিজের সমস্যাকে আড়াল করতে চাইছেন।
"ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন, তখন ধারণা করেছিলেন সংঘাতটি দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু যুদ্ধ প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘায়িত হয়ে এখন ধীরে ধীরে পাল্টাপাল্টি হামলার এক দীর্ঘ সংঘাতে পরিণত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, রবার্ট কেলি, কিম জং উনের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: যুদ্ধের দীর্ঘায়িত হওয়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!