📌 ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাটে তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক ও ডেপুটি স্পিকার আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ দলীয় কার্যালয় থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলার রামপুরহাটে তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক ও রাজ্য বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে তাঁর দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ তাঁর দেহ পাঠায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রামপুরহাটের দলীয় কার্যালয় থেকে উদ্ধার আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ
- 📌 মৃত্যুকালে তিনি রাজ্য বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার ছিলেন
- 📌 টানা পাঁচবার বিধায়ক নির্বাচিত হন রামপুরহাট আসন থেকে
- 📌 চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হন
📰 বিস্তারিত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলার রামপুরহাটে তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক ও রাজ্য বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে রোববার সকালে। তাঁর দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করে।
আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় রামপুরহাট আসন থেকে টানা পাঁচবার বিধায়ক নির্বাচিত হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের প্রথম মেয়াদ থেকেই তিনি রাজ্য সরকারের শিক্ষা ও কৃষি মন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হন।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রামপুরহাটের হাটতলা পাড়ায় তাঁর বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় সমর্থক জড়ো হন। উল্লেখ্য, গত জুন মাসে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা কোর কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। তবে তিনি দলের একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে থেকে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
"আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাঁর পরিবার ও দলীয় নেতারা ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রামপুরহাট, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বার বিধায়ক নির্বাচিত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!