📌 নিউজিল্যান্ডের পুরেরুয়া উপদ্বীপে তিন বছর ধরে ধাওয়া চালিয়ে বিরল পাতেকে প্রজাতির প্রায় শতভাগ ধ্বংসকারী এক ধূসর বিড়ালকে অবশেষে ধরেছেন সংরক্ষণকর্মীরা। প্রকল্প সমন্বয়কারী অ্যান্ড্রু মেন্টরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিড়ালটির দীর্ঘ লুকোচুরির অবসান ঘটে
নিউজিল্যান্ডের উত্তরে অবস্থিত পুরেরুয়া উপদ্বীপে তিন বছর ধরে চলা এক অভিযানে অবশেষে ধরা পড়েছে বিরল পাতেকে প্রজাতির প্রায় শতভাগ ধ্বংসকারী এক ধূসর বিড়াল। স্থানীয়দের কাছে ‘নাইন লাইভস’ নামে পরিচিত এই বিড়ালটির বিরুদ্ধে অভিযান চালান সংরক্ষণকর্মীরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুরেরুয়া উপদ্বীপে তিন বছর ধরে ধাওয়া চালিয়ে বিরল পাতেকে প্রজাতির প্রায় শতভাগ ধ্বংসকারী বিড়ালকে ধরেছেন সংরক্ষণকর্মীরা
- 📌 স্থানীয়দের দেওয়া নাম ‘নাইন লাইভস’ — যতবার ধরার চেষ্টা হয়েছে ততবারই ফসকে গেছে বিড়ালটি
- 📌 বিড়ালটির হাতে প্রায় শতভাগ পাতেকে প্রজাতির ধ্বংস হয়েছে বলে ধারণা সংরক্ষণকর্মীদের
- 📌 প্রকল্প সমন্বয়কারী অ্যান্ড্রু মেন্টরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিড়ালটির দীর্ঘ লুকোচুরির অবসান ঘটে বৃহস্পতিবার রাতে
📰 বিস্তারিত
পুরেরুয়া উপদ্বীপ নিউজিল্যান্ডের উত্তরে অবস্থিত একটি সমুদ্রঘেঁষা এলাকা, যা জলাভূমি ও ঘন বনে ঢাকা। এখানে ২০২৩ সালে বিরল পাতেকে প্রজাতির পাখি ছাড়া হয় ২১টি। এই প্রজাতির পাখি পৃথিবীর চতুর্থ বিরলতম হিসেবে পরিচিত। তবে বিড়ালটির হাতে প্রায় শতভাগ পাতেকে প্রজাতির ধ্বংস হয়েছে বলে ধারণা করছেন সংরক্ষণকর্মীরা।
স্থানীয়দের দেওয়া নাম ‘নাইন লাইভস’ অনুসারে এই বিড়ালটি যতবার ধরার চেষ্টা হয়েছে ততবারই ফসকে গেছে। প্রকল্প সমন্বয়কারী অ্যান্ড্রু মেন্টর জানান, বিড়ালটির স্বভাব ছিল অত্যন্ত চতুর। সে কখনো একই জায়গায় দুইবার ফাঁদের কাছে আসত না। আবহাওয়া বা চাঁদের আলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে ফেলত নিজের পথ।
তিন বছর ধরে চলা অভিযানে বারবার ফাঁদের ধরন ও টোপ বদলানো হয়। ক্যামেরার নেটওয়ার্কও ধীরে ধীরে বাড়ানো হয় পুরো এলাকা জুড়ে। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে সেই সুযোগ আসে যখন বিড়ালটি ফিরে আসে একই জায়গায়। সেই সুযোগেই কাজ সারেন সংরক্ষণকর্মীরা।
"পোষা বিড়াল আর বুনো বিড়াল এক জিনিস নয়। ঘরের বিড়াল মানুষের সঙ্গী, ভালোবাসার প্রাণী। কিন্তু জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া বা হারিয়ে যাওয়া বিড়াল একসময় বুনো হয়ে ওঠে। আর তখন সে হয়ে দাঁড়ায় স্থানীয় বন্য প্রাণীর জন্য সরাসরি হুমকি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরেরুয়া উপদ্বীপ, নিউজিল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যান্ড্রু মেন্টর (প্রকল্প সমন্বয়কারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১টি (পাতেকে প্রজাতির পাখি), প্রায় ১ শতাংশ (ধ্বংস হওয়া পাতেকে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!