📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টেনেসিতে ২০০ বছরের মধ্যে প্রথম নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় ঘটে অদ্ভুত ঘটনা: বেঁচে যান দুবার ইনজেকশন দেওয়ার পরও

টেনেসিতে ২০০ বছরের মধ্যে প্রথম নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় ঘটে অদ্ভুত ঘটনা: বেঁচে যান দুবার ইনজেকশন দেওয়ার পরও

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে ২০০ বছরের মধ্যে প্রথম নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় দুবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়া হলেও ক্রিস্টা পাইক বেঁচে যান। তার আইনজীবীরা বলছেন, তিনি এখনও জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা পাচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে ২০০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইককে দুবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়া হলেও তিনি বেঁচে যান এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পাইকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে জরুরি আবেদন করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অরাজ্যে ২০০ বছরের মধ্যে প্রথম নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় ক্রিস্টা পাইক বেঁচে যান দুবার ইনজেকশন দেওয়ার পরও
  • 📌 পাইকের আইনজীবীরা বলেছেন, ‘ক্রিস্টা পাইক জ্ঞান হারিয়েছেন, তবে তাঁর হৃৎস্পন্দন হচ্ছে এবং নাক ডাকার শব্দ শোনা যাচ্ছে’
  • 📌 ১৯৯৬ সালে সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল
  • 📌 পাইকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৮ বছর বয়সে প্রেমিক টাডারিল শিপের (১৭) সঙ্গে মিলে ১৯ বছর বয়সী তরুণীকে হত্যা করা
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া নারীদের মধ্যে পাইক একমাত্র টেনেসির বন্দী
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭৬ সাল থেকে মোট ১৮ জন নারী ও ১ হাজার ৬৬৩ জন পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে ২০০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো নারী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইককে দুবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়া হলেও তিনি বেঁচে যান। পাইকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তিনি এখনও জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা পাচ্ছেন। পাইকের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া বন্ধ করতে জরুরি ভিত্তিতে আদালতে আবেদন করেছেন। ওই আবেদনে বলা হয়েছে, ‘ক্রিস্টা পাইক জ্ঞান হারিয়েছেন, তবে তাঁর হৃৎস্পন্দন হচ্ছে এবং নাক ডাকার শব্দও শোনা যাচ্ছে’।

পাইকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৮ বছর বয়সে তৎকালীন প্রেমিক টাডারিল শিপের (১৭) সঙ্গে মিলে তিনি ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে মারধর ও নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করেন। নিহত তরুণীর সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়েছিল সমস্যাগ্রস্ত কিশোর-কিশোরীদের জন্য আয়োজিত একটি কর্মমুখী প্রশিক্ষণ শিবিরে। পাইক নিজে বলেছেন, ‘আমি মানসিকভাবে অসুস্থ ১৮ বছরের একজন কিশোরী ছিলাম। আমি যা করেছিলাম, তার ভয়াবহতা বুঝতে আমার বহু বছর লেগেছে। আমার কাজের কারণে কত মানুষের জীবন প্রভাবিত হয়েছে, তা মেনে নিতে আরও বেশি সময় লেগেছে। আমি কারও সন্তান, বোন ও বন্ধুর জীবন কেড়ে নিয়েছি। এখন ভাবলেও অসুস্থ বোধ করি যে আমি এমন অপরাধ করেছিলাম।’

১৯৯৬ সালে সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে আদালত পাইককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। গতকাল বুধবার দেশটির সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ের পর ওই নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পথ খুলেছিল। তবে নিম্ন আদালত স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, যা সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেন। রক্ষণশীল বিচারপতি ব্রেট কাভানা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ বাতিলের আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে এ আদেশের পক্ষে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের তিন উদারপন্থী বিচারপতি সোনিয়া সোটোমেয়র, এলেনা কাগান ও কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছিলেন।

"আমি মানসিকভাবে অসুস্থ ১৮ বছরের একজন কিশোরী ছিলাম। আমি যা করেছিলাম, তার ভয়াবহতা বুঝতে আমার বহু বছর লেগেছে। আমার কাজের কারণে কত মানুষের জীবন প্রভাবিত হয়েছে, তা মেনে নিতে আরও বেশি সময় লেগেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টেনেসি অঙ্গরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টা পাইক, কলিন স্লেমার, টাডারিল শিপ, সোনিয়া সোটোমেয়র, এলেনা কাগান, কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ বছর, ৫০ বছর, ১৮ বছর, ১৭ বছর, ১৯ বছর, ১৮ জন নারী, ১ হাজার ৬৬৩ জন পুরুষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖