📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরাকের ১২ বছরের যুদ্ধে বিজয়ী হলেও মার্কিন সেনা প্রত্যাহার: ‘নরকযাত্রার’ শেষ চাপা

ইরাকের ১২ বছরের যুদ্ধে বিজয়ী হলেও মার্কিন সেনা প্রত্যাহার: ‘নরকযাত্রার’ শেষ চাপা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরাক থেকে সর্বশেষ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে, যা ১২ বছরের আইএসআইএল বিরোধী অভিযানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, এখন থেকে ইরাকের নিরাপত্তা দায়িত্ব সম্পূর্ণ ইরাকি বাহিনীর হাতে থাকবে। তবে মার্কিন প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা সহায়তা অব্যাহত থাকবে

ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের ইরবিল বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন ও আন্তর্জাতিক জোটের সর্বশেষ সেনারা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ ১২ বছরের সামরিক মিশনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১২ বছরের যুদ্ধের সমাপ্তি: ইরাক থেকে সর্বশেষ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে, যা ২০০৩ সাল থেকে চলা ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ’ মিশনের আনুষ্ঠানিক শেষ চিহ্নিত করেছে।
  • 📌 আইএসআইএল পরাজিত: মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মুখপাত্র শন পারনেল জানান, এই প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ইরাকে আইএসআইএলকে একটি সংগঠিত সামরিক শক্তি হিসেবে পরাজিত করার ১২ বছরের অভিযান শেষ হয়েছে।
  • 📌 ইরাকি বাহিনীকে দায়িত্ব: এখন থেকে ইরাকের নিরাপত্তার প্রধান দায়িত্ব ইরাকি বাহিনীর হাতে থাকবে। তবে মার্কিন প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
  • 📌 সিরিয়ায় সেনা অব্যাহত: ইরাকে প্রত্যাহার হলেও সিরিয়ায় এখনও কয়েকশ মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।
  • 📌 ট্রাম্পের ‘নরকযাত্রা’: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাহারকে ‘অত্যন্ত ব্যয়বহুল নরকযাত্রার’ শেষ বলে বর্ণনা করেছেন।
  • 📌 ইরাকের নতুন লক্ষ্য: ইরাক সরকার ঘোষণা করেছে, ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত ইরানের ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।
  • 📌 কুর্দিস্তানের উদ্বেগ: কুর্দি কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মার্কিন বাহিনী চলে যাওয়ার ফলে অঞ্চলটি ইরানের সম্ভাব্য হামলা ও আইএসআইএলের পুনরুত্থানের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

📰 বিস্তারিত

২০০৩ সালে ‘অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম’ নামে শুরু হওয়া মার্কিন সামরিক অভিযান ২০১৪ সালে ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ’ নামে পুনরায় শুরু হয়। ২০০৭ সালে ইরাকে মার্কিন সেনার সংখ্যা সর্বোচ্চ ১ লাখ ৭০ হাজারে পৌঁছায়। আইএসআইএলের দ্রুত উত্থানের পর ২০১৪ সালে আবার মার্কিন সেনা পাঠানো হয়। ২০১৭ সালে আইএসআইএল তাদের নিয়ন্ত্রিত অধিকাংশ ভূখণ্ড হারানোর পর মার্কিন সেনাদের ভূমিকা ধীরে ধীরে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়ার দিকে চলে যায়। প্রত্যাহারের আগে ইরবিলে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মার্কিন ও আন্তর্জাতিক জোটের সেনা ছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি বার্তায় বলেন, ‘এখনই আমেরিকার ঘরে ফেরার সময়’। তিনি প্রত্যাহারকে ‘ইরাকে থাকা বা সেখান থেকে চলে যাওয়ার মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘এই প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাকের বিজয় এবং আইএস-এর বিরুদ্ধে একটি নির্ণায়ক বিজয়’।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এই মাধ্যমে ইরাক একটি নতুন যুগে প্রবেশ করছে’। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাভিত্তিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে পরিণত হবে। তিনি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আঞ্চলিক ও অন্যান্য দেশগুলোর প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার উদ্যোগ সহজ হবে না। তারা বলেন, যদি এসব গোষ্ঠী অস্ত্র ছাড়তে অস্বীকার করে, তাহলে ইরাকের ভেতরেই বড় ধরনের সংঘাত তৈরি হতে পারে। এছাড়াও, যদি এসব গোষ্ঠী মার্কিন স্বার্থে হামলা বাড়ায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও ইরাকের ওপর নতুন করে চাপ দিতে পারে।

"আইএসআইএলের অবশিষ্ট সদস্যদের পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকেও মোকাবিলা করতে হবে ইরাককে। এসব গোষ্ঠী ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি তৈরি করছে।"

মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন একটি অধ্যায় শুরু হয়েছে। দেশটি গত কয়েক বছর তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও আশপাশের অঞ্চলে একের পর এক সংঘাত চলছে। কুর্দিস্তান অঞ্চলের কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, মার্কিন বাহিনী চলে যাওয়ার ফলে অঞ্চলটি ইরানের সম্ভাব্য হামলা এবং আইএসআইএলের পুনরুত্থানের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তবে ইরাকি সরকার বলছে, দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর নিজেদের সক্ষমতা যথেষ্ট রয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরাক (ইরবিল বিমানঘাঁটি, কুর্দিস্তান অঞ্চল), সিরিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শন পারনেল (মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মুখপাত্র), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), আলী আল-জাইদি (ইরাকের প্রধানমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর (মার্কিন মিশনের দৈর্ঘ্য), ১ লাখ ৭০ হাজার (সর্বোচ্চ মার্কিন সেনা সংখ্যা), ১ হাজার ৫০০ (প্রত্যাহারের আগে ইরবিলে সেনা সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖