📌 দিল্লি হাইকোর্ট উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। ছয় বছর ধরে কারাগারে বন্দী এই দুই ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে ২০২০ সালের দাঙ্গা মামলায় বিচার শুরু হয়নি। আদালত বলেছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে
দিল্লি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গতকাল উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। এই দুই ছাত্র নেতা ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে ছয় বছর ধরে কারাগারে বন্দী রয়েছে। বিচারপতি প্রতিভা এম. সিং ও বিচারপতি দীনেশ ভাটের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং তাদের জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ বছর কারাগারে বন্দী উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিন আবেদন খারিজ করে দিল্লি হাইকোর্ট।
- 📌 ২০২০ সালের দাঙ্গা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তাদের বিচার শুরু হয়নি।
- 📌 সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে বলে আদালত জানিয়েছে।
- 📌 গুলফিশা ফাতিমা সহ অন্য অভিযুক্তদের তুলনায় উমর ও শারজিলকে ‘আলাদা অবস্থানে’ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
- 📌 ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর উমর খালিদকে ‘মূল ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।
- 📌 ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি শারজিল ইমামকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনের কারণে গ্রেপ্তার করা হয়।
📰 বিস্তারিত
দিল্লি হাইকোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছে, গুলফিশা ফাতিমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। আদালত বলেছে, ‘এই আদালত বিচারিক শৃঙ্খলার কাছে বাধ্য’। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, উমর খালিদ ও শারজিল ইমাম অন্য অভিযুক্তদের তুলনায় ‘আলাদা অবস্থানে’ রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা দাঙ্গার ‘আদর্শগত চালিকাশক্তি’ হিসেবে কাজ করেছিলেন।
উমর খালিদ ও শারজিল ইমাম নতুন করে জামিনের আবেদন করেছিলেন। তারা তিনটি পরিবর্তিত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেছিলেন। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্ট গুলফিশা ফাতিমার মামলার রায় পুনর্বিবেচনা করেছে। দ্বিতীয়ত, অন্য অভিযুক্ত তসলিম আহমেদ ও খালিদ সাইফিকে শুধু বিচারপ্রক্রিয়ায় বিলম্বের কারণে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, গুলফিশা ফাতিমার মামলার রায়ের পর আরও ছয় মাস অতিবাহিত হয়েছে। তবে আদালত বলেছে, উমর ও শারজিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তসলিম ও খালিদ সাইফির মতো নয়। ফলে তাদেরও একই ধরনের জামিন দেওয়া সম্ভব নয়।
উমর খালিদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন, রাষ্ট্রদ্রোহ এবং আইপিসির ১৮টি ধারার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগও রয়েছে। শারজিল ইমামকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনের সময় দেওয়া বক্তৃতার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। উমর খালিদকে সর্বশেষ ২২ মে দিল্লি হাইকোর্ট তিন দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিল। তিনি মায়ের অস্ত্রোপচারের পর দেখা করার জন্য জামিন চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, শারজিল ইমামকে ২২ সেপ্টেম্বর একটি আদালত তাঁর কাজিনের বিয়েতে অংশ নেওয়ার জন্য সাত দিনের জামিন দেয়া হয়েছিল।
"এই আদালত বিচারিক শৃঙ্খলার কাছে বাধ্য। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উমর খালিদ, শারজিল ইমাম, বিচারপতি প্রতিভা এম. সিং, বিচারপতি দীনেশ ভাট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ বছর (কারাগারে বন্দী), ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ (উমর খালিদের গ্রেপ্তার), ২৮ জানুয়ারি ২০২০ (শারজিল ইমামের গ্রেপ্তার), ১৮টি আইপিসি ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!