📌 বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) সাবেক সভাপতি ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সদস্যরা মানববন্ধন করেছে। পুলিশকে ১০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন এবং মামলায় জড়িতদের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্যরা সাভার মডেল থানায় দায়ের করা সাংবাদিক কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত করেছে। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ পুলিশকে ১০ দিনের চূড়ান্ত সময়সীমা দিয়েছেন এবং মামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ক্র্যাবের সদস্যরা মানববন্ধন করেছে
- 📌 পুলিশকে ১০ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে — মামলায় নাম প্রত্যাহার না করলে কঠোর কর্মসূচি নেওয়ার হুমকি
- 📌 মামলা দায়েরের সময় কামরুজ্জামান খান পুলিশ হেডকোয়ার্টারে উপস্থিত ছিলেন, তবুও তার নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে
- 📌 বক্তারা দাবি করেছেন, মামলায় জড়িতদের তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার
- 📌 সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আজ সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল বলেছেন, কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে সাজানো মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে উপস্থিত ছিলেন। এ অবস্থায় কীভাবে তার নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম লাভলু বলেছেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের আগে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয় বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়। কিন্তু কামরুজ্জামান খানের মামলায় সেই তদন্ত করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, মামলাটি কীভাবে ও কার প্ররোচনায় হয়েছে, তা তদন্ত করা দরকার।
বক্তারা আরও বলেছেন, সাংবাদিকরা দেশ ও মানুষের স্বার্থে সত্য প্রকাশের কাজ করেন। তাই পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে কোনো সাংবাদিককে হয়রানি করা উচিত নয়। তারা দাবি করেছেন, মামলায় কামরুজ্জামান খানের নাম অন্তর্ভুক্ত করার আগে তার ঘটনাস্থলে উপস্থিতি তদন্ত করা দরকার ছিল। যথাযথ তদন্ত ছাড়া তার নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকলে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
"কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে একটি সাজানো ও মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। মামলা দায়েরের সময় তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে উপস্থিত ছিলেন। এ অবস্থায় কীভাবে তাঁকে মামলায় আসামি করা হলো, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানাই।" — ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সেগুনবাগিচা (ডিআরইউ চত্বর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামরুজ্জামান খান, মির্জা মেহেদী তমাল, মাহবুব আলম লাভলু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ দিনের আল্টিমেটাম, ৯:৩০ টা (দুর্ঘটনার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!