📌 নরসিংদীর মাধবদী থানার চরদিঘলদী ইউনিয়নে টেঁটা-বল্লম নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছেন। বিএনপির নেতা ও সাধারণ লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের ফলশ্রুতি হিসেবে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, উভয় পক্ষের লোকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
নরসিংদীর মাধবদী থানার চরদিঘলদী ইউনিয়নে টেঁটা-বল্লম নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার পর অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে জিতরামপুর ও টিটিরচর এলাকার বাসিন্দারা জড়িত ছিলেন। আহতদের মধ্যে রয়েছে বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, ফজলু মিয়া (৬০) ও তাহের মিয়া (৬৫)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ জন আহত: টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষে বিএনপির নেতা ও সাধারণ লোকজনের মধ্যে ৭ জন আহত হন, তাদের মধ্যে সাইদুল ইসলাম, ফজলু মিয়া (৬০) ও তাহের মিয়া (৬৫)।
- 📌 দীর্ঘদিনের বিরোধ: চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজন দাবি করেন, শহীদ মেম্বার ও কামাল মিয়া গ্রুপের লোকজন এক মাস ধরে তাদেরকে বাড়ি থেকে বের করে দিচ্ছেন।
- 📌 বিরোধ মীমাংসা ব্যর্থ: সংসদ সদস্যের উদ্যোগে সংঘর্ষ মীমাংসার চেষ্টা হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে একমত হয়নি।
- 📌 পুলিশের নজরদারি: মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে।
- 📌 মামলা প্রত্যাহারের দাবি: মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের রিপোর্টার কামরুজ্জামান খান ঘটনাস্থলে না থাকা সত্ত্বেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
চরদিঘলদী ইউনিয়নের বাসিন্দা মমিন মিয়া জানান, চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড়ে অবস্থান করছেন। তাঁদের নিজ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বুধবার সন্ধ্যায় শহীদ মেম্বার ও কামাল মিয়া গ্রুপের লোকজন টেঁটা-বল্লম নিয়ে চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকদের ওপর হামলা চালান। পরে চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজন প্রতিহত করার চেষ্টায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন।
চাঁন মিয়া, যিনি ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, বলেন, শহীদ মেম্বারের লোকজন প্রায় এক মাস ধরে তাঁদের গ্রুপের অনেক লোককে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। এতে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িছাড়া। গত সপ্তাহে স্থানীয় সংসদ সদস্যের উদ্যোগে দুই পক্ষের লোকজনকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও শহীদ মেম্বার ও কামাল মিয়া গ্রুপের লোকজন তা মানেনি। তিনি আরও বলেন, পরে তাঁরা বাড়িতে গিয়ে লোকজনকে বের করে দেন। বুধবার রাত ৯টার দিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল বিএনপির কিছু লোককে সঙ্গে নিয়ে তাঁদের অবস্থানস্থলে হামলা চালান।
চরদিঘলদী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জানান, দুই পক্ষের বিরোধ প্রায় এক মাস ধরে চলে আসছিল। তিনি বলেন, উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করছে। ঘটনার সময় তিনি গ্রামে না থাকায় সরেজমিন বিষয়টি দেখেননি। তবে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের কিছু লোক যুক্ত হয়ে এ বিরোধ সৃষ্টি করছে।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, রাতে ঘটনার কথা তিনি শুনেছেন। তিনি বলেন, ঘটনার সত্যতা রয়েছে। উভয় পক্ষের ছয় থেকে সাতজন আহত হয়েছেন এবং তাঁরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে।
"চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড়ে অবস্থান করছেন। তাঁদের নিজ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করছি।"
"শহীদ মেম্বারের লোকজন প্রায় এক মাস ধরে আমাদের গ্রুপের অনেক লোককে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। এতে আমাদের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িছাড়া।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চরদিঘলদী ইউনিয়ন, মাধবদী থানা, নরসিংদী সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাইদুল ইসলাম (বিএনপি ৯ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক), চাঁন মিয়া (বিএনপি ৮ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক), মমিন মিয়া (বাসিন্দা), ফজলু মিয়া (৬০), তাহের মিয়া (৬৫), মোহাম্মদ কামাল হোসেন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আহত, ৩০ সেপ্টেম্বর, ৯ টা রাত, ৬০ বছর, ৬৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!