📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরিয়ায় আসাদকে মৃত্যুদণ্ড, রাশিয়ায় নিরাপদে থাকলেও ন্যায়বিচারের জয়গান সিরিয়াবাসীর

সিরিয়ায় আসাদকে মৃত্যুদণ্ড, রাশিয়ায় নিরাপদে থাকলেও ন্যায়বিচারের জয়গান সিরিয়াবাসীর

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরিয়ার দামেস্ক আদালত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তাঁর ভাই মাহের আল-আসাদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। আসাদ পরিবারের ৫০ বছরের শাসনের পতনের ২০ মাস পর এই প্রথম বড় ধরনের আইনি রায়। তবে তাঁরা রাশিয়ায় পালিয়ে থাকায় রায় কার্যকর হবে কি না তা অনিশ্চিত

সিরিয়ার দামেস্কের একটি আদালত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তাঁর ভাই মাহের আল-আসাদকে তাঁদের অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। আসাদ পরিবারের দীর্ঘ ৫০ বছরের শাসনের পতনের ২০ মাস পর এটিই তাঁদের বিরুদ্ধে প্রথম বড় ধরনের আইনি রায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দামেস্ক আদালত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তাঁর ভাই মাহের আল-আসাদকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে
  • 📌 আসাদ ভাইয়েরা রাশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে অবস্থান করছেন
  • 📌 আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে ২০১১ সালে দারা শহরের কিশোরদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের ঘটনা গণবিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটায়
  • 📌 সিরিয়ায় আসাদের বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে
  • 📌 প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা আবদো ফাইয়াজ মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘আক্ষেপের মুক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন

📰 বিস্তারিত

২০১১ সালের শুরুর দিকে দক্ষিণ সিরিয়ার দারা শহরের একদল কিশোর স্কুলের দেয়ালে সরকারবিরোধী গ্রাফিতি এঁকেছিল। সেখানে লেখা ছিল—‘ইজাক এল দোর, ইয়া ডক্টর’ অর্থাৎ ‘এবার তোমার পালা, ডাক্তার!’ পরবর্তীতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকার সেই কিশোরদের গ্রেপ্তার করে নির্মম অত্যাচার চালায়। এই ঘটনাই আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দেয়, যা পরবর্তীতে দমনপীড়নের মুখে টানা ১৪ বছরের এক রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। এতে প্রাণ হারান প্রায় ৫ লাখ মানুষ।

গত ১১ জুলাই দামেস্কের একটি আদালত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ এবং তাঁর ভাই মাহের আল-আসাদকে তাঁদের অনুপস্থিতিতে হত্যা, নির্যাতন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। আসাদ পরিবারের দীর্ঘ ৫০ বছরের শাসনের পতনের ২০ মাস পর এটিই আসাদ বা তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে প্রথম বড় ধরনের আইনি রায়। তবে এই রায়ের বড় একটি সীমাবদ্ধতা হলো—আসাদ ভাইয়েরা কেউই এখন আর সিরিয়ায় নেই। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আসাদ সরকারের পতনের পর তাঁরা রাশিয়ায় পালিয়ে যান এবং সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় পান। ফলে তাঁদের সিরিয়ায় ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত এই মৃত্যুদণ্ডের রায় কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকছে।

আসাদ আমলের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে তৈরি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা ও প্রখ্যাত সিরীয় সাংবাদিক আবদো ফাইয়াজ এনডিটিভিকে বলেন, ‘রায়টি বহুকাল ধরে জমে থাকা এক আক্ষেপের মুক্তি দিয়েছে।’ ফাইয়াজ বলেন, ‘বাশার আল-আসাদ এবং তাঁর শাসনব্যবস্থা সব সময়ই সিরীয়দের প্রধান শত্রু ছিল। তাই যখন শুনি তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়েছে, তখন এক ধরনের স্বস্তি ও আনন্দ পাই যে, বিচার পেতে যত সময়-ই লাগুক না কেন, অবশেষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।’

আসাদ সরকারের সময় আমরা কতটা ভয় ও যন্ত্রণার মধ্যে জীবন কাটিয়েছি তা বাইরের কেউ অনুধাবন করতে পারবে না।’ সাংবাদিক ফাইয়াজ আরও বলেন, ‘বাশার আল-আসাদের আমলে আমাদের এখানে একটি প্রচলিত কথা ছিল—কিছু বোলো না, কারণ দেয়ালেরও কান আছে। অর্থাৎ ভুল করে মুখ ফসকে কিছু বলে ফেললে জীবনের শেষ ঠিকানা হতে পারত কারাগার কিংবা মৃত্যু।’ ফাইয়াজের নিজের ভাইও এই নির্যাতনের শিকার হন এবং বিপুল অর্থ ও যোগাযোগের মাধ্যমে তাঁকে কারাগার থেকে মুক্ত করে দেশ ছাড়তে হয়েছিল।

আসাদ ও তাঁর ভাই ছাড়াও দামেস্ক আদালত আরও ছয় প্রাক্তন কর্মকর্তাকে তাঁদের অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেন। তবে আদালতে উপস্থিত থাকা অবস্থায় একমাত্র যাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়েছে, তিনি হলেন আসাদের খালাতো ভাই ও সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা আতেফ নাজিব। ২০১১ সালে দারা শহরের সেই কিশোরদের নির্যাতনের নেপথ্যে তাঁরই হাত ছিল।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দামেস্ক, সিরিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাশার আল-আসাদ, মাহের আল-আসাদ, আবদো ফাইয়াজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর, ১৪ বছর, ৫ লাখ, ২০ মাস, ১১ জুলাই

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖