📌 ২০২৫ সালের মার্চে মহাকাশে পাড়ি দেওয়া ফ্রাম২ মিশনের চার নভোচারী প্রথমবারের মতো নিজেদের শরীরের এক্স-রে করেন। যুক্তরাষ্ট্রের মেয়ো ক্লিনিকের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, মহাকাশেও বহনযোগ্য এক্স-রে প্রযুক্তি কার্যকর। এই আবিষ্কার দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানের পথ খুলে দেবে
গত বছর মহাকাশে অবস্থানরত চার নভোচারী প্রথমবারের মতো নিজেদের শরীরের এক্স-রে করার ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মেয়ো ক্লিনিকের অ্যারোস্পেস মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেইনা গিফোর্ডের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী রেডিওলজিতে প্রকাশিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটে মহাকাশে যাত্রা করে ফ্রাম২ মিশন
- 📌 চারজন নভোচারী ছিলেন এই মিশনে: চুন ওয়াং, জ্যানিক মিকেলসেন, রাবেয়া রগ ও এরিক ফিলিপস
- 📌 মহাকাশে সাড়ে তিন দিন অবস্থানকালে তাঁরা নিজেদের শরীরের এক্স-রে করেন
- 📌 বহনযোগ্য এক্স-রে প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশেও নিখুঁত ইমেজিং সম্ভব হয়েছে
- 📌 গবেষণায় দেখা গেছে, মহাকাশে তোলা এক্স-রে ছবির মান পৃথিবীর সমান
📰 বিস্তারিত
২০২৫ সালের মার্চ মাসে ফ্রাম২ মিশনের চার নভোচারী মহাকাশে প্রথমবারের মতো নিজেদের শরীরের এক্স-রে করার ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটান। এই মিশনে অংশগ্রহণকারী ছিলেন ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগকারী চুন ওয়াং, চলচ্চিত্র নির্মাতা জ্যানিক মিকেলসেন, প্রকৌশলী রাবেয়া রগ এবং আরেক অভিযাত্রী এরিক ফিলিপস। তাঁরা মহাকাশে সাড়ে তিন দিন অবস্থান করেন এবং বেশ কিছু বিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা করেন।
এই মিশনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অর্জন ছিল বহনযোগ্য এক্স-রে প্রযুক্তির মাধ্যমে নিজেদের শরীরের বিভিন্ন অংশের এক্স-রে করা। সাধারণ এক্স-রে মেশিনগুলো বিশাল আকারের হওয়ায় মহাকাশে বহন করা প্রায় অসম্ভব ছিল। তবে এখন বহনযোগ্য প্রযুক্তির কল্যাণে এই অসম্ভব কাজটি সহজ হয়ে গেছে। গবেষকরা একটি তারহীন এক্স-রে সিস্টেম ব্যবহার করেন, যার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে।
মহাকাশে অবস্থানকালে দুই নভোচারী নিজেদের হাত, বাহু, পেট, পেলভিস এবং বুকের এক্স-রে করেন। পৃথিবীতে ফেরার পর রেডিওলজিস্টরা মহাকাশে তোলা ছবিগুলোকে পৃথিবীতে তোলা একই অঙ্গের এক্স-রে ছবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন। আশ্চর্যজনকভাবে, ছবির মান উভয় ক্ষেত্রেই সমান ছিল।
"মহাকাশে অসুস্থতা বা আঘাত নির্ণয়ের জন্য একাধিক ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারাটা অ্যারোস্পেস মেডিসিনের জন্য একটা বড় স্বপ্ন ছিল। এক্স-রে দ্রুত, সহজ এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাকাশ (পৃথিবীর কক্ষপথ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেইনা গিফোর্ড, চুন ওয়াং, জ্যানিক মিকেলসেন, রাবেয়া রগ, এরিক ফিলিপস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ (মার্চ), ৪ (নভোচারী), ৫০ (বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!